বিএম কলেজের হলের ছাদের পলেস্তারা খসে শিক্ষার্থী আহত

  বরিশাল সরকারি বিএম কলেজের মহাত্মা অশ্বিনী কুমার (ডিগ্রি) হলের ডি ব্লকে ছাদের পলেস্তারা খসে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জরাজীর্ণ হল ভবনে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহত শিক্ষার্থী হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, ওইদিন বিকেলে ইনকোর্স পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে ছাদের পলেস্তারা খসে তার ওপর পড়ে। অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান তিনি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শতবর্ষী ডিগ্রি হলের এ ও ডি ব্লক দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের বিভিন্ন কক্ষের ছাদ থেকে নিয়মিত পলেস্তারা খসে পড়ছে, কোথাও কোথাও রড বের হয়ে ঝুলছে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ঘটনার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল সুপারের কক্ষে গিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তোলেন। আরও পড়ুন গ্যাসের তীব্র সংকট / ডাবল বিলে দিশেহারা গ্রাহক, লোকসানে শিল্প-কারখানা ডিগ্রি হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আজিজুল হাকিম সামি বলেন, এ ছাত্রাবাসটি এখন এক

বিএম কলেজের হলের ছাদের পলেস্তারা খসে শিক্ষার্থী আহত

 

বরিশাল সরকারি বিএম কলেজের মহাত্মা অশ্বিনী কুমার (ডিগ্রি) হলের ডি ব্লকে ছাদের পলেস্তারা খসে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জরাজীর্ণ হল ভবনে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আহত শিক্ষার্থী হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম।

তিনি জানান, ওইদিন বিকেলে ইনকোর্স পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে ছাদের পলেস্তারা খসে তার ওপর পড়ে। অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান তিনি।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শতবর্ষী ডিগ্রি হলের এ ও ডি ব্লক দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের বিভিন্ন কক্ষের ছাদ থেকে নিয়মিত পলেস্তারা খসে পড়ছে, কোথাও কোথাও রড বের হয়ে ঝুলছে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

ঘটনার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল সুপারের কক্ষে গিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তোলেন।

ডিগ্রি হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আজিজুল হাকিম সামি বলেন, এ ছাত্রাবাসটি এখন এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রায়ই ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। দ্রুত নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

ডিগ্রি হলের সুপার এস এম আসাদুজ্জামান বলেন, ভবনটি যে ঝুঁকিপূর্ণ, তা কর্তৃপক্ষের জানা আছে। আপাতত জরাজীর্ণ কক্ষের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ কক্ষে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।

বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরোনো ভবনটির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের বিষয়ে আগেই শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক এ দুর্ঘটনার পর ভবনটি নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

এনএইচআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow