বিএমইউর ডা. চন্দন কুমার রায় ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায়ের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে আয়োজিত এ সভায় শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। বক্তারা বলেন, ডা. চন্দন কুমার রায় ছিলেন একজন গুণী শিক্ষক ও চিকিৎসক, নিবেদিতপ্রাণ গবেষক এবং বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মানুষ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র— বিশেষ করে কালাজ্বরসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে তাঁর গবেষণা দেশের স্বাস্থ্যখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি ছিলেন মঞ্চ অভিনেতা, ক্রীড়াপ্রেমী এবং সৌখিন আলোকচিত্রী; ক্রিকেট, হকি, ক্যারাম ও ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন খেলাধুলায়ও তাঁর দক্ষতা ছিল। তাঁর অকাল প্রয়াণে বিএমইউ একটি অমূল্য সম্পদ হারিয়েছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে ডা. চন্দন কুমার রায়ের বর্ণাঢ্য জীবন ন

বিএমইউর ডা. চন্দন কুমার রায় ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায়ের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে আয়োজিত এ সভায় শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর উপাচার্য ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

বক্তারা বলেন, ডা. চন্দন কুমার রায় ছিলেন একজন গুণী শিক্ষক ও চিকিৎসক, নিবেদিতপ্রাণ গবেষক এবং বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মানুষ। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র— বিশেষ করে কালাজ্বরসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে তাঁর গবেষণা দেশের স্বাস্থ্যখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি ছিলেন মঞ্চ অভিনেতা, ক্রীড়াপ্রেমী এবং সৌখিন আলোকচিত্রী; ক্রিকেট, হকি, ক্যারাম ও ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন খেলাধুলায়ও তাঁর দক্ষতা ছিল। তাঁর অকাল প্রয়াণে বিএমইউ একটি অমূল্য সম্পদ হারিয়েছে বলে বক্তারা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে ডা. চন্দন কুমার রায়ের বর্ণাঢ্য জীবন নিয়ে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত সবার মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

বেসিক সায়েন্স ও প্যারাক্লিনিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সীর সভাপতিত্বে এবং ল্যাবরেটরি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এ এস এম নওরোজের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহেদা আনোয়ার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার রায় গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সকালে বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা ও এক পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, সহকর্মী ও শিক্ষার্থী রেখে গেছেন। তার গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার হাকিমপুর গ্রামে। তার মৃত্যুতে বিএমইউ ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এসইউজে/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow