বিএসএফের হাতে আটকের ১১ মাস পর লাশ হয়ে ফিরলেন আজিজুর
সীমান্তে ঘাস কাটতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হওয়ার দীর্ঘ ১১ মাস পর অবশেষে লাশ হয়ে দেশে ফিরলেন ঠাকুরগাঁওয়ের দিনমজুর আজিজুর রহমান। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘ বন্দিজীবনে বিএসএফের পৈশাচিক নির্যাতনের কারণেই আজিজুরের মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয়জনের নিথর দেহ ফিরে পেয়ে শাহানাবাদ গ্রামের আকাশ-বাতাস স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ মে দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শাহানাবাদ গ্রামের দিনমজুর আজিজুর রহমানসহ চারজন সীমান্ত এলাকায় ঘাস কাটতে যান। তারা সীমান্ত পিলার ৩৭৩/১-এসের কাছে পৌঁছালে ভারতের ১৮৪ আমবাড়ী ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। তিনজন পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও আজিজুর রহমান বিএসএফের হাতে ধরা পড়েন।
আজিজুরের স্ত্রী তাছকারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে গিয়ে বিএসএফ সদস্যরা পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে। সেই নির্যাতনের কারণেই তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
সীমান্তে ঘাস কাটতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক হওয়ার দীর্ঘ ১১ মাস পর অবশেষে লাশ হয়ে দেশে ফিরলেন ঠাকুরগাঁওয়ের দিনমজুর আজিজুর রহমান। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘ বন্দিজীবনে বিএসএফের পৈশাচিক নির্যাতনের কারণেই আজিজুরের মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রিয়জনের নিথর দেহ ফিরে পেয়ে শাহানাবাদ গ্রামের আকাশ-বাতাস স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ মে দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শাহানাবাদ গ্রামের দিনমজুর আজিজুর রহমানসহ চারজন সীমান্ত এলাকায় ঘাস কাটতে যান। তারা সীমান্ত পিলার ৩৭৩/১-এসের কাছে পৌঁছালে ভারতের ১৮৪ আমবাড়ী ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। তিনজন পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও আজিজুর রহমান বিএসএফের হাতে ধরা পড়েন।
আজিজুরের স্ত্রী তাছকারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে গিয়ে বিএসএফ সদস্যরা পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে। সেই নির্যাতনের কারণেই তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। দীর্ঘ ১১ মাস ভারতে বন্দি অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২২ মার্চ ভারতের ইসলামপুরের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সারোয়ার মোহাম্মদ শাহরিয়ার খানের স্বাক্ষরিত এক আদেশের প্রেক্ষিতে, কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন আজিজুরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। শুক্রবার সকাল থেকে স্বজনরা বাংলাবান্ধা সীমান্তে অপেক্ষা করলেও আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেল ৪টার দিকে বিজিবি ও পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজীর আহমেদ জানান, বিএসএফের হাতে আটক আজিজুরের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জানান, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শাহানাবাদ গ্রামস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
আজিজুরের এই করুণ মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।