বিজিবির অভিযান, ঘুমধুম সীমান্তে আড়াই লাখ পিস ইয়াবাসহ অস্ত্র উদ্ধার
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ একটি বিদেশি অস্ত্র, পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
রোববার (০৯ আগস্ট) দিনগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার নয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, নয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে আনা হতে পারে— এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মেহেদী হাসান আশিকের নেতৃত্বে একটি দল সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়।
রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে সীমান্ত পিলার ৩১ থেকে প্রায় ১৩০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি অস্ত্র, পাঁচ রাউন্ড গোলাবারুদ ও ২ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিজিবি সমানভাবে গুরুত্ব দিচ্
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ একটি বিদেশি অস্ত্র, পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
রোববার (০৯ আগস্ট) দিনগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার নয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, নয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে আনা হতে পারে— এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় উপ-অধিনায়ক মেজর মো. মেহেদী হাসান আশিকের নেতৃত্বে একটি দল সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়।
রাত ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে সীমান্ত পিলার ৩১ থেকে প্রায় ১৩০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিদেশি অস্ত্র, পাঁচ রাউন্ড গোলাবারুদ ও ২ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।
কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিজিবি সমানভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
উদ্ধার করা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে বিজিবি।