বিদায়ের সময় ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না: ভূমি উপদেষ্টা

সরকারের ভেতরে অন্যদের সমর্থন না পাওয়ায় ভূমি নিবন্ধন আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনতে পারেননি বলে জানিয়েছেন খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বিদায়ের সময় ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শেষ কর্মদিবসে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা জানান। ভোগান্তি লাঘবে ভূমি নিবন্ধনকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার একটা প্রক্রিয়া ছিল। সেই বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি যখন বিদায় নিচ্ছি তখন ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এটাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রধান উপদেষ্টা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু আমরা সফল হইনি।’ কেন সফল হননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের তো সমর্থন পেতে হবে, এটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারের আরও যারা আছেন তাদের সমর্থন লাভ করতে পারিনি।’ আপনি কাকে দায়ী করছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে দায়ী করছি না। এজন্য আমাদের মন-মানসিকতা দায়ী। সেক্ষেত্রে আমাকে দায়ী করতে হবে যে আমি পারিনি। ব্যর্থতার দায়ভার আমি নিচ্ছি,

বিদায়ের সময় ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না: ভূমি উপদেষ্টা

সরকারের ভেতরে অন্যদের সমর্থন না পাওয়ায় ভূমি নিবন্ধন আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনতে পারেননি বলে জানিয়েছেন খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বিদায়ের সময় ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শেষ কর্মদিবসে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা জানান।

ভোগান্তি লাঘবে ভূমি নিবন্ধনকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার একটা প্রক্রিয়া ছিল। সেই বিষয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি যখন বিদায় নিচ্ছি তখন ভেতরের কথা নিয়ে তিক্ততা বাড়াতে চাই না। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এটাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রধান উপদেষ্টা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু আমরা সফল হইনি।’

কেন সফল হননি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের তো সমর্থন পেতে হবে, এটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারের আরও যারা আছেন তাদের সমর্থন লাভ করতে পারিনি।’

আপনি কাকে দায়ী করছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে দায়ী করছি না। এজন্য আমাদের মন-মানসিকতা দায়ী। সেক্ষেত্রে আমাকে দায়ী করতে হবে যে আমি পারিনি। ব্যর্থতার দায়ভার আমি নিচ্ছি, যেহেতু আমি পারিনি।’ 

‘ব্যাপারটা সম্পর্কে আমরা সবাই একমত হতে পারিনি বলে এটি হয়নি। আশা করি ভবিষ্যতে কোনো না কোনো সময় এটা সম্ভব হবে।’

গত ছয় বছরের মধ্যে খাদ্যশস্যের মজুত এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে আছে জানিয়ে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘সাড়ে ১৩ লাখ টনকে নিরাপদ খাদ্য মজুত ধরা হয়, কিন্তু এখন আমাদের মজুত দেশে ২২ লাখ ১০ হাজার টন।’

তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত মজুত থাকায় খাদ্যের যে প্রোগ্রামগুলো আছে সেগুলো ব্যাহত হবে না। কয়েকদিন পরে যিনি এমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেবেন, তাকে তড়িঘড়ি করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে না। তিনি ধীর-স্থিরভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, পরবর্তী কার্যক্রম কীভাবে অগ্রসর করবেন।’

আরএমএম/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow