বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি প্রক্রিয়া বৈধ: আপিল বিভাগ
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তিসম্পর্কিত চলমান প্রক্রিয়া বৈধ বলে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগও বহাল রেখেছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ সংক্রান্ত বিষয়ে আদেশ দেন। এর আগে বুধবার (১১ মার্চ) আপিল বিভাগের একই বেঞ্চ আদেশের এ দিন ঠিক করেন। জানা গেছে, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া বহাল থাকছে। সব আইনি বাধা দূর হওয়ায় এখন ডিপি ওয়ার্ল্ড-এর সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আর কোনো বাধা নেই। চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যুব অর্থনীতি ফোরামের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হাসান রিট করেন। ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৩০ জুলাই হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আইন লঙ্ঘন করে দেশীয় অপারেটরদের অনুমত
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তিসম্পর্কিত চলমান প্রক্রিয়া বৈধ বলে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগও বহাল রেখেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ সংক্রান্ত বিষয়ে আদেশ দেন।
এর আগে বুধবার (১১ মার্চ) আপিল বিভাগের একই বেঞ্চ আদেশের এ দিন ঠিক করেন।
জানা গেছে, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে এনসিটি পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া বহাল থাকছে।
সব আইনি বাধা দূর হওয়ায় এখন ডিপি ওয়ার্ল্ড-এর সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আর কোনো বাধা নেই।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল বা এনসিটির ব্যবস্থাপনা বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে যুব অর্থনীতি ফোরামের সভাপতি মির্জা ওয়ালিদ হাসান রিট করেন। ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৩০ জুলাই হাইকোর্ট রুল দেন।
রুলে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আইন লঙ্ঘন করে দেশীয় অপারেটরদের অনুমতি না দিয়ে চট্টগ্রাম নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশিদের সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।
একই সঙ্গে যে কোনো অপারেটরকে কন্টেইনার টার্মিনাল হ্যান্ডলিং পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার আগে আইন অনুসারে ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বানের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে মর্মেও রুল জারি করা হয়।
নৌসচিব, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে এই টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার দুবাইভিত্তিক একটি বিদেশি কোম্পানিকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেওয়ার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, সেটিই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আবার গতি পেয়েছে-এমন খবরে অনেকেই এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন।
What's Your Reaction?