বিদেশি চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো নিয়ে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এসব চুক্তির বিষয়ে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এসব চুক্তির বিষয়ে তাদের দলের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, সংসদ না থাকায় জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সরকার যেমন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, তেমনি আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল—এ দাবি তারা বারবার জানিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন সরকার তাদের সেই দাবিকে গুরুত্ব দেয়নি। এ বিষয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই। সম্প্রতি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্র

বিদেশি চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো নিয়ে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এসব চুক্তির বিষয়ে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কয়েকটি চুক্তি সম্পাদন করেছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এসব চুক্তির বিষয়ে তাদের দলের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, সংসদ না থাকায় জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সরকার যেমন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে, তেমনি আন্তর্জাতিক চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল—এ দাবি তারা বারবার জানিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন সরকার তাদের সেই দাবিকে গুরুত্ব দেয়নি।

এ বিষয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে কোনো ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি করার সুযোগ নেই।

সম্প্রতি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছে।

তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। এমন না যে এ চুক্তি আমরা অন্ধকারে রেখেছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow