বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের কিয়েভ ছাড়তে বলছে রাশিয়া
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে নতুন করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে রাশিয়া। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীটিতে যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি চালানোর কয়েকদিন পরই এ হুঁশিয়ারি এলো। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন হামলায় কিয়েভের সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র, সামরিক কমান্ড পোস্ট এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। একই সঙ্গে রাশিয়া কিয়েভে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের দ্রুত শহর ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক ও সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থাকারও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। রাশিয়ার এই হুমকিকে নির্লজ্জ ব্ল্যাকমেইল বলে আখ্যা দিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলেছে, মস্কোর ওপর আরও চাপ বাড়াতে আন্তর্জাতিক মিত্রদের এগিয়ে আসা উচিত। ইউক্রেনের বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশিদের শহর ছাড়ার আহ্বানের মাধ্যমে রাশিয়া কার্যত স্বীকার করেছে যে তাদের হামলার উদ্দেশ্য কূটনৈতিক মহলেও ভয় সৃষ্টি করা। ইউক্রেনের দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কিয়েভে রুশ হামলা প্রায় প্রতি সপ্তাহেই চলছে এবং নিরাপত্তা হুমকির পরিস্থিতি আগের মতোই রয়ে গেছে। গত শনিবার রাতে রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় অন্তত চা
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে নতুন করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে রাশিয়া। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীটিতে যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে বড় হামলাগুলোর একটি চালানোর কয়েকদিন পরই এ হুঁশিয়ারি এলো।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন হামলায় কিয়েভের সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্র, সামরিক কমান্ড পোস্ট এবং ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
একই সঙ্গে রাশিয়া কিয়েভে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের দ্রুত শহর ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক ও সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থাকারও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
রাশিয়ার এই হুমকিকে নির্লজ্জ ব্ল্যাকমেইল বলে আখ্যা দিয়েছে ইউক্রেন। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলেছে, মস্কোর ওপর আরও চাপ বাড়াতে আন্তর্জাতিক মিত্রদের এগিয়ে আসা উচিত।
ইউক্রেনের বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশিদের শহর ছাড়ার আহ্বানের মাধ্যমে রাশিয়া কার্যত স্বীকার করেছে যে তাদের হামলার উদ্দেশ্য কূটনৈতিক মহলেও ভয় সৃষ্টি করা।
ইউক্রেনের দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কিয়েভে রুশ হামলা প্রায় প্রতি সপ্তাহেই চলছে এবং নিরাপত্তা হুমকির পরিস্থিতি আগের মতোই রয়ে গেছে।
গত শনিবার রাতে রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় অন্তত চারজন নিহত এবং প্রায় ১০০ জন আহত হন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
রাশিয়ার দাবি, শুক্রবার স্টারোবিলস্ক শহরের একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেনের হামলায় ২১ জন নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এসব হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইউক্রেন বলছে, তারা সেখানে রাশিয়ার একটি বিশেষ ড্রোন ইউনিটকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল, বেসামরিক স্থাপনায় নয়।
মে মাসে স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর থেকে কিয়েভে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া।
এর আগে মে মাসের মাঝামাঝিতে কিয়েভের একটি আবাসিক ভবনে হামলায় তিন শিশুসহ ২৪ জন নিহত হন।
এর জবাবে ইউক্রেনও মস্কো অঞ্চলে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালায়। রুশ কর্মকর্তাদের দাবি, এতে তিনজন নিহত হন। জেলেনস্কি ওই হামলাকে ন্যায্য প্রতিক্রিয়া বলে উল্লেখ করেন।
শনিবার রাতের সর্বশেষ হামলায় রাশিয়া কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি শত শত ড্রোন ব্যবহার করে। এছাড়া কিয়েভের দক্ষিণে বিলা সেরকভা এলাকায় পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন হাইপারসনিক ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করা হয় বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।
সূত্র: বিবিসি
এমএসএম
What's Your Reaction?