বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে পলেস্তারা খসে শিক্ষকের মাথায়, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

বরিশালের উজিরপুরে একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে এক শিক্ষক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা। হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়। সোমবার (১০ আগস্ট) উজিরপুর সরকারি ডব্লিউবি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের সপ্তম শ্রেণির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সপ্তম শ্রেণির কক্ষে ক্লাস নিচ্ছিলেন সহকারী শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম। হঠাৎ শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তারা খুলে তার মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি আহত হন। পরে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাথী বলে, ‘স্যার ক্লাস নিচ্ছিলেন। হঠাৎ ওপর থেকে ছাদের পলেস্তারা খুলে স্যারের মাথায় পড়ে। আমরা সবাই ভয় পেয়ে যাই।’ আরেক শিক্ষার্থী সিমা বলে, ‘পলেস্তারা পড়ার সময় আমরা ক্লাসে ছিলাম। স্যার আহত হয়েছেন। আমাদেরও খুব ভয় লেগেছে।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম বলেন, ‘ভবনটি ১৯৬০ সালে নির্মিত। এটি অনেক পুরোনো ভবন। ক্লাস চলাকালে ছাদের পলেস্তারা খুলে পড়ে একজন শিক্ষক আহত হয়েছেন। বিষয়টি

বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে পলেস্তারা খসে শিক্ষকের মাথায়, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা
বরিশালের উজিরপুরে একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে এক শিক্ষক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা। হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়। সোমবার (১০ আগস্ট) উজিরপুর সরকারি ডব্লিউবি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের সপ্তম শ্রেণির কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সপ্তম শ্রেণির কক্ষে ক্লাস নিচ্ছিলেন সহকারী শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম। হঠাৎ শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তারা খুলে তার মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি আহত হন। পরে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাথী বলে, ‘স্যার ক্লাস নিচ্ছিলেন। হঠাৎ ওপর থেকে ছাদের পলেস্তারা খুলে স্যারের মাথায় পড়ে। আমরা সবাই ভয় পেয়ে যাই।’ আরেক শিক্ষার্থী সিমা বলে, ‘পলেস্তারা পড়ার সময় আমরা ক্লাসে ছিলাম। স্যার আহত হয়েছেন। আমাদেরও খুব ভয় লেগেছে।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম বলেন, ‘ভবনটি ১৯৬০ সালে নির্মিত। এটি অনেক পুরোনো ভবন। ক্লাস চলাকালে ছাদের পলেস্তারা খুলে পড়ে একজন শিক্ষক আহত হয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’ স্থানীয় অভিভাবকরা বলেন, পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে এভাবে শ্রেণি কার্যক্রম চালানো শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য বিপজ্জনক। দ্রুত ভবনটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সংস্কার অথবা নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow