বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনা, বছরে দু’বার সমন্বয়ের প্রস্তাব
দেশে চলমান মূল্যস্ফীতির চাপে যখন সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের খরচ সামাল দিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে, তখন নতুন করে বাড়তে পারে বিদ্যুতের বিলের বোঝা। শুধু ইউনিটপ্রতি দাম বাড়ানো নয়, এবার আবাসিক গ্রাহকদের বিলের কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে দেড় কোটির বেশি আবাসিক গ্রাহকের ব্যয় বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পিডিবির প্রস্তাবে বিদ্যুতের দাম সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি বছরে দুইবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল্য সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়েছে। এ নিয়ে আগামী ২০ ও ২১ মে গণশুনানির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সিদ্ধান্ত হলে জুন থেকেই নতুন মূল্যহার কার্যকর হতে পারে। বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য ধাপভিত্তিক বিদ্যুৎ বিল ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রথম ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম তুলনামূলক কম রাখা হয়। এরপর ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে ইউনিটপ্রতি মূল্যও বাড়ে। তবে নতুন প্রস্তাবে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত আলাদা ধাপ তুলে দিয়ে শূন্য থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত পুরো ব্যবহার একই উচ্চ হারে গণনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গ
দেশে চলমান মূল্যস্ফীতির চাপে যখন সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের খরচ সামাল দিতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে, তখন নতুন করে বাড়তে পারে বিদ্যুতের বিলের বোঝা। শুধু ইউনিটপ্রতি দাম বাড়ানো নয়, এবার আবাসিক গ্রাহকদের বিলের কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে দেড় কোটির বেশি আবাসিক গ্রাহকের ব্যয় বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পিডিবির প্রস্তাবে বিদ্যুতের দাম সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি বছরে দুইবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল্য সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়েছে। এ নিয়ে আগামী ২০ ও ২১ মে গণশুনানির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সিদ্ধান্ত হলে জুন থেকেই নতুন মূল্যহার কার্যকর হতে পারে।
বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের জন্য ধাপভিত্তিক বিদ্যুৎ বিল ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রথম ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম তুলনামূলক কম রাখা হয়। এরপর ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে ইউনিটপ্রতি মূল্যও বাড়ে। তবে নতুন প্রস্তাবে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত আলাদা ধাপ তুলে দিয়ে শূন্য থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত পুরো ব্যবহার একই উচ্চ হারে গণনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে ভ্যাট ও ডিমান্ড চার্জ।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. বদরুল ইমাম মনে করেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে। তার মতে, সহনীয় মাত্রায় মূল্য সমন্বয় করে প্রয়োজন হলে ভর্তুকির মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া উচিত।
বিশেষজ্ঞরা আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও খাতের অপচয় কমানোর পরিবর্তে কেন বারবার বাড়তি চাপ গ্রাহকদের ওপর চাপানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বছরে দু’বার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
তবে পিডিবির দাবি, লাইফলাইন বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না ফেলতেই এই প্রস্তাবনা আনা হয়েছে।
What's Your Reaction?