বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, সমন্বয় করা কঠিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বিদ্যুৎ খাত এখন সম্পূর্ণভাবে আমদানি করা জ্বালানি, কয়লা ও এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, যা ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করা কঠিন। রোববার (২৯ মার্চ) কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও সমকাল আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংস্কার: জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সরকারের কাছে প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা পাবে, যা পরিশোধে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। হঠাৎ আতঙ্কের কেনাকাটা জ্বালানি সংকটের অন্যতম কারণ। সরকার এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করছে। বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত সমাধান বের করা হবে। বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও উৎপাদন সক্ষমতা এর চেয়ে বেশি, ৩০ হাজার মেগাওয়াট। রিজার্ভ মার্জিন ধরে রাখতে প্রায় ২২ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা হলেই চলে। ফলে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র অব্যবহৃত অব

বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, সমন্বয় করা কঠিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বিদ্যুৎ খাত এখন সম্পূর্ণভাবে আমদানি করা জ্বালানি, কয়লা ও এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, যা ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করা কঠিন।

রোববার (২৯ মার্চ) কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও সমকাল আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংস্কার: জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সরকারের কাছে প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা পাবে, যা পরিশোধে চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। হঠাৎ আতঙ্কের কেনাকাটা জ্বালানি সংকটের অন্যতম কারণ। সরকার এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করছে। বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত সমাধান বের করা হবে।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও উৎপাদন সক্ষমতা এর চেয়ে বেশি, ৩০ হাজার মেগাওয়াট। রিজার্ভ মার্জিন ধরে রাখতে প্রায় ২২ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা হলেই চলে। ফলে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র অব্যবহৃত অবস্থায় থাকছে। কিন্তু এসব কেন্দ্রের সঙ্গে করা চুক্তির কারণে সরকারকে ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা বড় আর্থিক চাপ তৈরি করছে।

এনএস/এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow