বিদ্যুৎ-তেল-দ্রব্যমূল্য না কমালে সংসদ ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে
১১ জুনের আগে বিদ্যুৎ-তেল-দ্রব্যমূল্য না কমালে সংসদ ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নতুন ধারা বাংলাদেশ (এনডিবি)। দলটি বলছে, যদি দেশের কথা না ভেবে বাংলাদেশ বিরোধী একের পর এক সিদ্ধান্ত নিতেই থাকে, তাহলে ভোট দিতে না যাওয়া ৬ কোটি ও ‘না’ ভোট দেওয়া প্রায় আড়াই কোটি মানুষ সম্মিলিতভাবে বাজেট অধিবেশনকে পণ্ড করে দেবে। বিক্ষুদ্ধ জনতা তখন কিন্তু আর শিক্ষার্থী-শিক্ষক দেখবে না, যাকে যেখানে পাবে, বৈষম্য দূর করতে না পারার অপরাধে পায়ের তলায় পিষ্ট করে ছাড়বে। শনিবার (৬ জুন) এনডিবি প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা ও যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে এনডিবি চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, ২২ পরিবারের হাত থেকে ২২ হাজার আমলার খপ্পড়ে পড়েছে বাংলাদেশ। সেই আমলাদের স্বার্থে আজ যখন তখন জনগণের ওপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কষাঘাত, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কুঠারাঘাত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একের পর এক দেশবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এখান থেকে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সরে আসতে না পারলে নিজেদের তৈরি করা গর্তে নিজেরাই
১১ জুনের আগে বিদ্যুৎ-তেল-দ্রব্যমূল্য না কমালে সংসদ ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নতুন ধারা বাংলাদেশ (এনডিবি)।
দলটি বলছে, যদি দেশের কথা না ভেবে বাংলাদেশ বিরোধী একের পর এক সিদ্ধান্ত নিতেই থাকে, তাহলে ভোট দিতে না যাওয়া ৬ কোটি ও ‘না’ ভোট দেওয়া প্রায় আড়াই কোটি মানুষ সম্মিলিতভাবে বাজেট অধিবেশনকে পণ্ড করে দেবে। বিক্ষুদ্ধ জনতা তখন কিন্তু আর শিক্ষার্থী-শিক্ষক দেখবে না, যাকে যেখানে পাবে, বৈষম্য দূর করতে না পারার অপরাধে পায়ের তলায় পিষ্ট করে ছাড়বে।
শনিবার (৬ জুন) এনডিবি প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা ও যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।
বিবৃতিতে এনডিবি চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, ২২ পরিবারের হাত থেকে ২২ হাজার আমলার খপ্পড়ে পড়েছে বাংলাদেশ। সেই আমলাদের স্বার্থে আজ যখন তখন জনগণের ওপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কষাঘাত, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কুঠারাঘাত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একের পর এক দেশবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, এখান থেকে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সরে আসতে না পারলে নিজেদের তৈরি করা গর্তে নিজেরাই পড়বে। তখন আর তাদের যুগপৎ সঙ্গীরাও তাদের রক্ষা করতে আসবে না। বরং সেই সুযোগে ক্ষমতার মসনদে বসে যাওয়ার চেষ্টা করবে।
বিবৃতিতে এনডিবি নেতারা আমলাদের কঠোর সমালোচনা করে আরও বলেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে শুধু আমলাদের কারণে। তাদের সন্তানরা উন্নত বিশ্বের দেশে পড়ালেখা করছে। তারা বাড়ি করছে দেশের বাইরে। পুরো পরিবার স্যাটেল হচ্ছে উন্নত দেশগুলোতে। আর আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজ ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশ মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে।
দলটির নেতারা বলেন, আমলারদের পাশাপাশি কিছু অসাধু রাজনীতিকও দেশকে দেউলিয়া করে দেশের বাইরে গিয়ে উঠছেন। আসন্ন বাজেটের আগে এসব লুটেরা রাজনীতিক ও প্রশাসনিক সাবেক ও বর্তমান কর্তাদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের অবৈধ অর্থ-সম্পদ সব দেশের রাজস্বখাতে যুক্ত করাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। সরকার যদি তা না করতে পারে, তবে বাজেট জনগণের কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না।
এমকেআর
What's Your Reaction?