বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ৫ ইউনিয়ন

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ওপর দিয়ে টানা দুই দফা কালবৈশাখীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।  রোববার (২৪ মে) ভোরে বয়ে যাওয়া ঝড়ে চার শতাধিক ঘরবাড়ির টিনের চালা উড়ে গেছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ১৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার। এতে পাঁচটি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরেও একই ধরনের ঝড়ে উপজেলার চার শতাধিক ঘরবাড়ি ও ৩৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুই দফা ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আট শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন। এলাকাবাসী, উপজেলা প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ প্রবল বেগে ঝড়, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। ঝড়ের তাণ্ডবে ঘুমন্ত মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মুহূর্তেই অনেক ঘরের চালা উড়ে যায় এবং গাছপালা ভেঙে পড়ে। ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে দামোদরপুর ও মধুপুরে। দামোদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুবক্কর সিদ্দিক জানান, কালাপানি, ইন্দিরাপাড়া, আমরুলবাড়ি, সিংহিমারীসহ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখতে পেয়েছেন। তিন শতাধিক ঘরবাড়ির টিনের চালা উড়ে গেছে। শত

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ৫ ইউনিয়ন

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ওপর দিয়ে টানা দুই দফা কালবৈশাখীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। 

রোববার (২৪ মে) ভোরে বয়ে যাওয়া ঝড়ে চার শতাধিক ঘরবাড়ির টিনের চালা উড়ে গেছে। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ১৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার। এতে পাঁচটি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরেও একই ধরনের ঝড়ে উপজেলার চার শতাধিক ঘরবাড়ি ও ৩৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুই দফা ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আট শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

এলাকাবাসী, উপজেলা প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ প্রবল বেগে ঝড়, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। ঝড়ের তাণ্ডবে ঘুমন্ত মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মুহূর্তেই অনেক ঘরের চালা উড়ে যায় এবং গাছপালা ভেঙে পড়ে।

ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে দামোদরপুর ও মধুপুরে। দামোদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুবক্কর সিদ্দিক জানান, কালাপানি, ইন্দিরাপাড়া, আমরুলবাড়ি, সিংহিমারীসহ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখতে পেয়েছেন। তিন শতাধিক ঘরবাড়ির টিনের চালা উড়ে গেছে। শত শত গাছ উপড়ে পড়েছে। বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।

মধুপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুর আলম ভুট্টু বলেন, বৃহস্পতিবার ও রোববারের ঝড়ে আমার ইউনিয়নের চার শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর বদরগঞ্জ জোনাল কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক বিপ্লব কুমার পাল জানান, দুই দফা ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৪৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাঁচটি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কর্মীরা মাঠে কাজ করছেন। তবে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য আমরা পেয়েছি। সব ইউনিয়নের তথ্য হাতে পেলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow