বিদ্যুৎহীন রাঙামাটি শহর
রাঙামাটিতে মাটি সরে ৩৩ কেবি লাইনের দুটি পিলার হেলে পড়ায় পুরো শহর বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৮টার দিকে শুক্কুরছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
সুমন নামের এক বাসিন্দা বলেন, মোবাইলে চার্জ নেই, ঘরে পানি নেই। বিদ্যুৎ কখন আসবে বুঝতেছি না। পুরো শহরবাসী ভোগান্তিতে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী (বিতরণ) স্বাগত সরকার বলেন, চলমান ভারী বর্ষণের ফলে কুতুকছড়ি সাবস্টেশনের শুকুরছড়িতে ৩৩ কেবি লাইনের দুটি পিলার গোড়ার মাটি সরে হেলে পড়েছে। ফলে শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, এ লাইনে কাজ করতে হলে ক্রেনের প্রয়োজন হবে। কিন্তু আমাদের কাছে কোনো ক্রেন নেই। তবুও আমাদের লোকজন ম্যানুয়ালি পিলার সোজা করতে কাজ করছে। যদি সম্ভব না হয় তাহলে চট্টগ্রাম থেকে ক্রেন না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। পিডিবিকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্ব
রাঙামাটিতে মাটি সরে ৩৩ কেবি লাইনের দুটি পিলার হেলে পড়ায় পুরো শহর বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৮টার দিকে শুক্কুরছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
সুমন নামের এক বাসিন্দা বলেন, মোবাইলে চার্জ নেই, ঘরে পানি নেই। বিদ্যুৎ কখন আসবে বুঝতেছি না। পুরো শহরবাসী ভোগান্তিতে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী (বিতরণ) স্বাগত সরকার বলেন, চলমান ভারী বর্ষণের ফলে কুতুকছড়ি সাবস্টেশনের শুকুরছড়িতে ৩৩ কেবি লাইনের দুটি পিলার গোড়ার মাটি সরে হেলে পড়েছে। ফলে শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, এ লাইনে কাজ করতে হলে ক্রেনের প্রয়োজন হবে। কিন্তু আমাদের কাছে কোনো ক্রেন নেই। তবুও আমাদের লোকজন ম্যানুয়ালি পিলার সোজা করতে কাজ করছে। যদি সম্ভব না হয় তাহলে চট্টগ্রাম থেকে ক্রেন না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। পিডিবিকে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি।