বিপিসির প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর ঘিরে জ্বালানি খাতে অনিশ্চয়তার শঙ্কা

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের সম্ভাবনা ঘিরে দেশের জ্বালানি খাতে প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা ও নীতিগত আলোচনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ, পরিশোধন ও বিতরণ ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় সমন্বয় কাঠামো পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা শুরু হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবসায়ী মহল, শিল্প খাত, প্রশাসনিক পর্যবেক্ষক ও চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। চট্টগ্রাম বন্দর, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড এবং বিপিসির অধীন বিভিন্ন তেল বিপণন কোম্পানির কার্যক্রম একই ভৌগোলিক অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত থাকায় সদর দপ্তর স্থানান্তরের বিষয়টি পরিচালন ব্যয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি এবং মাঠপর্যায়ের তদারকির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনায় উঠে আসে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের আমদানি থেকে শুরু করে পরিশোধন এবং দেশব্যাপী বিতরণের পুরো সরবরাহ চেইন চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠায় প্রশাসনিক কেন্দ্র অন্যত্র সরালে সমন্বয় কাঠামো জটিল হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা

বিপিসির প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর ঘিরে জ্বালানি খাতে অনিশ্চয়তার শঙ্কা

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের সম্ভাবনা ঘিরে দেশের জ্বালানি খাতে প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা ও নীতিগত আলোচনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ, পরিশোধন ও বিতরণ ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় সমন্বয় কাঠামো পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা শুরু হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যবসায়ী মহল, শিল্প খাত, প্রশাসনিক পর্যবেক্ষক ও চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

চট্টগ্রাম বন্দর, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড এবং বিপিসির অধীন বিভিন্ন তেল বিপণন কোম্পানির কার্যক্রম একই ভৌগোলিক অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত থাকায় সদর দপ্তর স্থানান্তরের বিষয়টি পরিচালন ব্যয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি এবং মাঠপর্যায়ের তদারকির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনায় উঠে আসে।

বিশেষ করে জ্বালানি তেলের আমদানি থেকে শুরু করে পরিশোধন এবং দেশব্যাপী বিতরণের পুরো সরবরাহ চেইন চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠায় প্রশাসনিক কেন্দ্র অন্যত্র সরালে সমন্বয় কাঠামো জটিল হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মত দেন।

১৯৮৯ সালে সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ নীতির অংশ হিসেবে তৎকালীন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে পেট্রোবাংলা ভবন থেকে বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকার পরিবর্তে চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হয়। সে সময় যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছিল, দেশের জ্বালানি অবকাঠামোর প্রায় পুরো অংশই চট্টগ্রামভিত্তিক—যার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে জ্বালানি তেল আমদানি, ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন এবং পাইপলাইন ও ডিপো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ ব্যবস্থা অন্যতম। সেই বাস্তবতায় প্রশাসনিক কেন্দ্রও একই অঞ্চলে থাকা প্রয়োজন বলে বিবেচিত হয়েছিল।

প্রায় চার দশক ধরে এই কাঠামো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার একটি মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। বর্তমান ব্যবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন উৎস থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত ও পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। সেখান থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে পরিশোধনের পর পাইপলাইন ও ডিপো ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তা সরবরাহ করা হয়।

এই পুরো প্রক্রিয়া একই প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয় এবং অপারেশনাল কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে বলে খাত সংশ্লিষ্টরা জানান।

বিপিসির অধীন পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি, এলপি গ্যাস লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স পিএলসি এবং পেট্রোলিয়াম ট্রান্সমিশন কোম্পানি পিএলসি—এই প্রতিষ্ঠানগুলোও কার্যত চট্টগ্রামভিত্তিক অবকাঠামো এবং সমন্বয় ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হচ্ছে।

এই কাঠামোর মধ্যে সদর দপ্তর অন্যত্র স্থানান্তর করা হলে প্রশাসনিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ধাপ যুক্ত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা। নিয়মিত ফিল্ড অপারেশন, প্রকল্প বাস্তবায়ন, রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম ও ঢাকার মধ্যে যোগাযোগের চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে করে বিমান ও স্থল পরিবহন, আবাসন এবং প্রশাসনিক ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিপিসির প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই সরকারের উচ্চপর্যায়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বক্তব্য আসে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামেই থাকবে এবং ঢাকায় স্থানান্তরের কোনো সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। তিনি চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ বক্তব্য দেন, যেখানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা সম্ভাব্য স্থানান্তর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মেহেদিবাগে মন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, বিপিসির বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তন হলে দেশের প্রধান বাণিজ্যিক ও আমদানি কেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে জ্বালানি ব্যবস্থাপনার সরাসরি সমন্বয় ব্যাহত হতে পারে। তারা আরও উল্লেখ করেন, বন্দর, রিফাইনারি, ডিপো এবং বিপণন কোম্পানিগুলোর মধ্যে যে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমানে বিদ্যমান, তা ভেঙে গেলে পরিচালন ব্যয় ও সময় উভয়ই বৃদ্ধি পাবে।

বিপিসির সদর দপ্তর স্থানান্তরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রামে ব্যবসায়ী সংগঠন, নাগরিক সমাজ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাদের মতে, দেশের প্রধান আমদানি-রপ্তানি কেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে জ্বালানি অবকাঠামোর সরাসরি সম্পর্ক থাকায় প্রশাসনিক কেন্দ্র অন্যত্র সরালে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থার সমন্বয় কাঠামো দুর্বল হতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের মোট আমদানি-রপ্তানির বড় অংশ পরিচালনা করে। জ্বালানি তেল আমদানির প্রায় সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াই এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ফলে বিপিসির কার্যক্রম কেবল প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির একটি কৌশলগত উপাদান হিসেবেও বিবেচিত হয়।

বর্তমানে চট্টগ্রামে বিপিসির নিজস্ব প্রধান কার্যালয় ভবন প্রায় সম্পন্ন পর্যায়ে রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ভাড়া ভবনে কার্যক্রম পরিচালনার পর একটি স্থায়ী প্রশাসনিক অবকাঠামো হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই ভবন নির্মাণে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়। একই সঙ্গে বিপিসির দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই অবকাঠামো তৈরি করা হয়, যা ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

তবে সাম্প্রতিক আলোচনায় এই অবকাঠামোর ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নতুন ভবন নির্মাণের পরও যদি প্রধান কার্যালয় অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়, তাহলে তা রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে বলে বিভিন্ন মহল মনে করছে। দীর্ঘ সময় ধরে একটি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পর হঠাৎ প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তন হলে পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এমন মতও আলোচনায় রয়েছে।

বিপিসির কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোগত সংযোগও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে চট্টগ্রামভিত্তিক। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে শুরু করে ইস্টার্ন রিফাইনারি, পাইপলাইন নেটওয়ার্ক এবং ডিপো ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো দেশের জ্বালানি সরবরাহ কাঠামো পরিচালিত হয়। এই কাঠামোর কেন্দ্রীয় সমন্বয় চট্টগ্রামে থাকায় মাঠপর্যায়ের কাজের সঙ্গে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সরাসরি সংযোগ বজায় থাকে।

প্রশাসনিক কেন্দ্র অন্যত্র সরানো হলে নিয়মিত তদারকি ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সময় এবং ব্যয়ের চাপ বাড়তে পারে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। বিশেষ করে জরুরি পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ধাপ যুক্ত হলে কার্যকারিতা কিছুটা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

চট্টগ্রামে বিপিসির প্রধান কার্যালয় স্থাপনের পর থেকে দেশের জ্বালানি খাত একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়ে আসছে। এই কাঠামোর সঙ্গে বন্দর, রিফাইনারি এবং বিপণন কোম্পানির সরাসরি সমন্বয় রয়েছে। ফলে যে কোনো পরিবর্তন কেবল প্রশাসনিক বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং পুরো জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে।

বর্তমান আলোচনার মধ্যে জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজন বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার বিষয়বস্তু হিসেবে এটি সামনে এলেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়া সর্বশেষ বক্তব্য অনুযায়ী, বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামেই থাকবে এবং স্থানান্তরের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।

এই অবস্থায় বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে থাকলেও এর সঙ্গে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত পরিকল্পনার প্রশ্ন যুক্ত হয়ে পড়েছে। ফলে নীতিগত ও প্রশাসনিক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

চলতি বছরে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড ময়দানের জনসভায় চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হলে তা হবে ওই প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী—এমনটাই মনে করছেন নগরবাসী।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাক্তার শাহাদাত হোসেন বলেছিলেন, ‘চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার বিষয়ে তারা বদ্ধপরিকর। পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশে এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্বাচনী ঘোষণাও ছিল।  সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তুলতে হলে যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় বর্তমানে চট্টগ্রামে রয়েছে, সেগুলো এখানেই থাকা উচিত।’

এদিকে বিপিসিকে কেন্দ্র করে সচেতন চট্টলাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে চট্টগ্রামকে অবহেলা করা হচ্ছে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, চট্টগ্রামকেন্দ্রিক বন্দর ও বাণিজ্য কার্যক্রম দেশের আয়ের বড় অংশ জোগান দিলেও একের পর এক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ঢাকায় সরিয়ে নেওয়ায় আঞ্চলিক বৈষম্য বাড়ছে। কর্মসূচি থেকে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow