বিপুল ইয়াবাসহ মাদক চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীতে ধারাবাহিক গোয়েন্দা অভিযানে একটি সংঘবদ্ধ ইয়াবা পাচারকারী চক্রের আরও চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির এক লাখ ১০ হাজার টাকা, চারটি মোবাইল ফোন এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
ডিএনসি জানায়, গত ৯ জুন ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের বিশেষ অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ১৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মো. বাবুল হোসেন ওরফে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওই মামলার তদন্ত, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির জিজ্ঞাসাবাদ, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ এবং ধারাবাহিক নজরদারির মাধ্যমে তার মাদক পাচার নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই নতুন এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, যশোরভিত্তিক একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঢাকা থেকে মোটরসাইকেলে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে যশোরে যাবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাক আহমেদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের
রাজধানীতে ধারাবাহিক গোয়েন্দা অভিযানে একটি সংঘবদ্ধ ইয়াবা পাচারকারী চক্রের আরও চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির এক লাখ ১০ হাজার টাকা, চারটি মোবাইল ফোন এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
ডিএনসি জানায়, গত ৯ জুন ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের বিশেষ অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ১৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মো. বাবুল হোসেন ওরফে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওই মামলার তদন্ত, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির জিজ্ঞাসাবাদ, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ এবং ধারাবাহিক নজরদারির মাধ্যমে তার মাদক পাচার নেটওয়ার্কের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই নতুন এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, যশোরভিত্তিক একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঢাকা থেকে মোটরসাইকেলে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে যশোরে যাবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাক আহমেদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে গত ৬ জুলাই রাতে রাজধানীর শ্যামপুর থানার ধোলাইপাড় এলাকায় ঢাকা-যশোর মহাসড়কে দুটি মোটরসাইকেলের গতিরোধ করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা, এক লাখ ১০ হাজার টাকা, চারটি মোবাইল ফোন এবং দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- মো. প্রিন্স মাহমুদ (৩৭), মনিরা বেগম মিষ্টি (৩০), মো. জহিরুল হক তুহিন (৩২) এবং মোছা. জলি বেগম (২০)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডিএনসি জানতে পেরেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ঢাকায় ইয়াবা সংগ্রহ করে মোটরসাইকেলের মাধ্যমে যশোরে নিয়ে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে সরবরাহ করতেন তারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে পরিবহনের কৌশল পরিবর্তন করে মোটরসাইকেল ব্যবহার করছিলেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শ্যামপুর থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে চক্রটির অন্যান্য সদস্য, অর্থদাতা ও সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ডিএনসি জানিয়েছে, দেশে ইয়াবাসহ সব ধরনের অবৈধ মাদকের বিস্তার রোধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।