বিপুল জাল নোটসহ আটক ৪
সিলেটে জাল নোট চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে র্যাব-৯। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫ লাখ ২ হাজার ৭০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে জাল নোট ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকায় প্রতারণা করে আসছিল বলে জানিয়েছে র্যাব। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে র্যাব-৯ এর সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ। এর আগে, মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার গেট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার পীরেরবাড়ি এলাকার মৃত ঠাকুর চাঁদ বালার ছেলে গুরুচাঁদ বালা (৩৮), শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার লগারপাড়া গ্রামের মো. হাবুল মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫), একই উপজেলার নগরপাড়া গ্রামের মো. কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. রাশেদ মিয়া (৩০) এবং বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ থানার হাদি বাঁশকাঠী গ্রামের আবদুল বারেক সরদারের ছেলে মো. সোহাগ সরদার (৩৩)। র্যাব জানায়, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার গেট এলাকা থেকে সন্দেহভাজন এক ব
সিলেটে জাল নোট চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে র্যাব-৯। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫ লাখ ২ হাজার ৭০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে জাল নোট ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকায় প্রতারণা করে আসছিল বলে জানিয়েছে র্যাব।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে র্যাব-৯ এর সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ। এর আগে, মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার গেট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার পীরেরবাড়ি এলাকার মৃত ঠাকুর চাঁদ বালার ছেলে গুরুচাঁদ বালা (৩৮), শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার লগারপাড়া গ্রামের মো. হাবুল মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫), একই উপজেলার নগরপাড়া গ্রামের মো. কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. রাশেদ মিয়া (৩০) এবং বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ থানার হাদি বাঁশকাঠী গ্রামের আবদুল বারেক সরদারের ছেলে মো. সোহাগ সরদার (৩৩)।
র্যাব জানায়, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার গেট এলাকা থেকে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে জাল নোট কারবারি হিসেবে স্বীকার করেন এবং তার আরও তিন সহযোগীর তথ্য দেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার এলাকার লালবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে চক্রের আরও তিন সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল সংখ্যক জালনোট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, তারা সাধারণত জনবহুল বাজার ও ছোট ছোট দোকানকে টার্গেট করতেন। কম মূল্যের কোনো পণ্য কিনে বড় অঙ্কের জাল নোট দিতেন এবং পরে ফেরত হিসেবে আসল টাকা নিয়ে চলে যেতেন। এভাবেই তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা চালিয়ে আসছিলেন। বিশেষ করে উৎসবের সময় কিংবা বাজারে অতিরিক্ত ভিড়ের সুযোগ নিয়ে তারা বেশি সক্রিয় হয়ে জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দিতেন। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
What's Your Reaction?