বিপুল ভোটে হেরে গেছেন তাহেরী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট–মাধবপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম ফয়সল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও শিল্পপতি এস এম ফয়সল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পান ২৬ হাজার ৪৪৬ ভোট। আলোচিত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে মো. মুজিবুর রহমান (মই) পেয়েছেন ৩২৯ ভোট, মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল) ৪৮৪ ভোট, মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি) ৪৮৪ ভোট, শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন) ৫৩৬ ভোট, মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া) ৬৫২ ভোট এবং সালেহ আহমদ সাজন (ফুটবল) পেয়েছেন ৬১৯ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৫ লাখ ৫২ হাজার ৭১১ জন। নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৭টি, যা ৫৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট–মাধবপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম ফয়সল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও শিল্পপতি এস এম ফয়সল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পান ২৬ হাজার ৪৪৬ ভোট। আলোচিত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩২৩ ভোট।
এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে মো. মুজিবুর রহমান (মই) পেয়েছেন ৩২৯ ভোট, মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল) ৪৮৪ ভোট, মো. রাশেদুল ইসলাম খোকন (ছড়ি) ৪৮৪ ভোট, শাহ মো. আল আমিন (হারিকেন) ৫৩৬ ভোট, মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ঘোড়া) ৬৫২ ভোট এবং সালেহ আহমদ সাজন (ফুটবল) পেয়েছেন ৬১৯ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার ছিল ৫ লাখ ৫২ হাজার ৭১১ জন। নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৭টি, যা ৫৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
What's Your Reaction?