বিপৎসীমার উপরে মনু ও ধলাই নদীর পানি, বাঁধ ভেঙে প্লাবিত কয়েকটি গ্রাম

টানা ভারী বর্ষণে মৌলভীবাজার জেলার প্রায় সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মধ্যে মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। ধলাই নদীর ইসলামপুর এলাকায় বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় অন্তত ৪ থেকে ৫টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত মৌলভীবাজারে ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার দিনভর বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল। দিনের কিছু সময় বৃষ্টির তীব্রতা কম থাকলেও দুপুরের পর তা আবার বাড়তে শুরু করে। রাতে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও পরে ফের শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকালেও হালকা বৃষ্টি হয়েছে এবং আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনের বাকি সময়েও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে মনু ও ধলাই নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মনু নদীর রেলওয়ে পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদনীঘাট পয়েন্টে মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটা

বিপৎসীমার উপরে মনু ও ধলাই নদীর পানি, বাঁধ ভেঙে প্লাবিত কয়েকটি গ্রাম
টানা ভারী বর্ষণে মৌলভীবাজার জেলার প্রায় সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মধ্যে মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। ধলাই নদীর ইসলামপুর এলাকায় বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় অন্তত ৪ থেকে ৫টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকাল পর্যন্ত মৌলভীবাজারে ১৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার দিনভর বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল। দিনের কিছু সময় বৃষ্টির তীব্রতা কম থাকলেও দুপুরের পর তা আবার বাড়তে শুরু করে। রাতে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও পরে ফের শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকালেও হালকা বৃষ্টি হয়েছে এবং আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনের বাকি সময়েও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে মনু ও ধলাই নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মনু নদীর রেলওয়ে পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে চাঁদনীঘাট পয়েন্টে মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার এবং জুড়ী নদীর পানি ৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদ বিন অলীদ বলেন, অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার নদ-নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। মনু ও ধলাই নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। ধলাই নদীর একটি অংশে ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow