বিপৎসীমার কাছাকাছি যমুনা নদীর পানি
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে যমুনা নদীর পানি। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৪৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বন্যার আতঙ্ক বিরাজ করছে নদীপাড়ের মানুষের মাঝে। তবে দুয়েকদিনের মধ্যেই পানি স্থিতিশীল হয়ে কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দেখা যাচ্ছে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। সারিয়াকান্দিতে গত কয়েকদিন ধরেই যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার মথুরাপাড়া পয়েন্টে গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় পানির উচ্চতা ছিল ১৫ দশমিক ৩৩ মিটার। পরদিন শুক্রবার (৭ আগস্ট) পানির উচ্চতা হয়েছে ১৫ দশমিক ৬৬ মিটার। শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টায় পানির উচ্চতা রয়েছে ১৫ দশমিক ৮০ মিটার। রোববার পানির উচ্চতা রয়েছে ১৫ দশমিক ৭৮ মিটার। অর্থাৎ ৪৮ ঘণ্টায় পানি ৪৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে বা গড়ে প্রতি ঘণ্টায় ১ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ উপজেলায় যমুনা নদীর পানির বিপৎসীমা ১৬ দশমিক ২৫ মিটার। অর্থাৎ যমুনা নদীর পানি ৪৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি হওয়ায় যমুনা নদীর ছোটবড় খালব
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে যমুনা নদীর পানি। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৪৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বন্যার আতঙ্ক বিরাজ করছে নদীপাড়ের মানুষের মাঝে।
তবে দুয়েকদিনের মধ্যেই পানি স্থিতিশীল হয়ে কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দেখা যাচ্ছে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়।
সারিয়াকান্দিতে গত কয়েকদিন ধরেই যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার মথুরাপাড়া পয়েন্টে গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় পানির উচ্চতা ছিল ১৫ দশমিক ৩৩ মিটার। পরদিন শুক্রবার (৭ আগস্ট) পানির উচ্চতা হয়েছে ১৫ দশমিক ৬৬ মিটার। শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টায় পানির উচ্চতা রয়েছে ১৫ দশমিক ৮০ মিটার।
রোববার পানির উচ্চতা রয়েছে ১৫ দশমিক ৭৮ মিটার। অর্থাৎ ৪৮ ঘণ্টায় পানি ৪৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে বা গড়ে প্রতি ঘণ্টায় ১ সেন্টিমিটার করে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ উপজেলায় যমুনা নদীর পানির বিপৎসীমা ১৬ দশমিক ২৫ মিটার। অর্থাৎ যমুনা নদীর পানি ৪৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি হওয়ায় যমুনা নদীর ছোটবড় খালবিলগুলো পরিপূর্ণ হয়েছে। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকার বসবাসকারী চরাঞ্চলের বসতবাড়িতে পানি উঠতে শুরু করেছে। উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসকারী বাসিন্দাদের বাড়িঘরের চারপাশে পানি উঠতে শুরু করেছে।
কেউ কেউ বাড়িঘরের জিনিসপত্র গুছিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ বা বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র বা উঁচু কোথাও আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন।
এদিকে যমুনায় পানিতে টইটম্বুর হওয়ায় উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যটকদের চাপে মুখরিত হয়ে উঠেছে। উপজেলার কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধে ছিল পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়।
কুতুবপুর ইউনিয়নের রাজু মিয়া বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই পানি বাড়তে বাড়তে একেবারে পানি আমার বাড়ির উঠানে চলে এসেছে। তাই বাড়ির জিনিসপত্র গোছানো শুরু করেছি। আর একটু পানি বাড়লেই বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধে আশ্রয় নিতে হবে।
বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজমুল হক বলেন, উজানের ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে বগুড়া জেলার নদনদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেহেতু উজানে পানি কমার খবর পাওয়া গেছে। তাই আশা করা যাচ্ছে পানি আর দুয়েকদিনের মধ্যেই স্থিতিশীল হয়ে কমতে শুরু করবে। বড় কোনো বন্যা হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?