বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬৬

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়াতে সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ জনে। এখনো অন্তত ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার উড্ডয়নের সময় দুর্ঘটনায় পড়ে বিমানটি। এটি পুয়ের্তো লেগুইজামো এলাকা থেকে উড্ডয়ন করছিল, যা পেরু সীমান্তের কাছে অবস্থিত। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটিতে মোট ১২৮ আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ১১ জন বিমানবাহিনীর সদস্য, ১১৫ জন সেনা এবং ২ জন জাতীয় পুলিশ সদস্য। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানান, উড্ডয়নের সময় রানওয়ের শেষ প্রান্তে আঘাত লাগে এবং পরে একটি ডানায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বিমানটি আগুন ধরে বিস্ফোরিত হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দুর্গম এলাকার কারণে উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানে বহু আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে জানা গেছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নে বিলম্বের জন্য প্রশাসনিক জটিলতাকে দায়ী করেছেন। তিনি দ্রুত তদন্তের নির্দ

বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬৬
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়াতে সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ জনে। এখনো অন্তত ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার উড্ডয়নের সময় দুর্ঘটনায় পড়ে বিমানটি। এটি পুয়ের্তো লেগুইজামো এলাকা থেকে উড্ডয়ন করছিল, যা পেরু সীমান্তের কাছে অবস্থিত। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটিতে মোট ১২৮ আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ১১ জন বিমানবাহিনীর সদস্য, ১১৫ জন সেনা এবং ২ জন জাতীয় পুলিশ সদস্য। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানান, উড্ডয়নের সময় রানওয়ের শেষ প্রান্তে আঘাত লাগে এবং পরে একটি ডানায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বিমানটি আগুন ধরে বিস্ফোরিত হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দুর্গম এলাকার কারণে উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানে বহু আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে জানা গেছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নে বিলম্বের জন্য প্রশাসনিক জটিলতাকে দায়ী করেছেন। তিনি দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ১৯৫০-এর দশকে চালু হওয়া এই ধরনের সি-১৩০ বিমান এখনও বিভিন্ন দেশে সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow