বিমানের এমডির বাসায় শিশু নির্যাতন: কারাগারে পাঠানো হলো আরেক গৃহকর্মীকে

শিশু গৃহকর্মীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সদ্য সাবেক এমডির বাসার আরেক গৃহকর্মী রুপালী খাতুনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক রোবেল মিয়া। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে রুপালী খাতুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মহানগর পুলিশের অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আরও পড়ুনবিমানের এমডির বাসায় ৭ মাস ‘নরক যন্ত্রণায়’ ছিল সেই গৃহকর্মী শিশুটি শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতন, স্ত্রীসহ বিমানের এমডি গ্রেফতার  মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ১ ফেব্রুয়ারি শিশু গৃহকর্মীর বাবা গোলাম মোস্তফা বিমান বাংলাদেশের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী বিথী এবং তাদের বাসার দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত বছরের জুন মাসে মোস্তফা তার কন্যাকে সাফিকুর রহমানের বাসায় পাঠান। মেয়েটিকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করাতে দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে মারধর ও শারীরিক নি

বিমানের এমডির বাসায় শিশু নির্যাতন: কারাগারে পাঠানো হলো আরেক গৃহকর্মীকে

শিশু গৃহকর্মীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সদ্য সাবেক এমডির বাসার আরেক গৃহকর্মী রুপালী খাতুনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক রোবেল মিয়া। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে রুপালী খাতুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মহানগর পুলিশের অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন
বিমানের এমডির বাসায় ৭ মাস ‘নরক যন্ত্রণায়’ ছিল সেই গৃহকর্মী শিশুটি 
শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতন, স্ত্রীসহ বিমানের এমডি গ্রেফতার 

মামলার বিবরণে বলা হয়, গত ১ ফেব্রুয়ারি শিশু গৃহকর্মীর বাবা গোলাম মোস্তফা বিমান বাংলাদেশের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী বিথী এবং তাদের বাসার দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত বছরের জুন মাসে মোস্তফা তার কন্যাকে সাফিকুর রহমানের বাসায় পাঠান। মেয়েটিকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করাতে দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, ৩১ জানুয়ারি বিথি ফোন করে মোস্তফাকে জানান মেয়েটি অসুস্থ। মেয়েকে বাড়িতে ফেরত আনার পর মোস্তফা তার দুই হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম দেখতে পান। পরে মেয়েকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেয়ের দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী, তার ওপর নির্যাতন করা হতো- মারধরের পাশাপাশি গরম খুন্তি দিয়ে শরীরে ছেঁকা দেওয়া হতো।

এর আগে মামলার অন্য আসামিদেরও বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে এ ঘটনায় তদন্ত ও অভিযোগ প্রমাণের জন্য প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। 

এমডিএএ/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow