বিমানের টয়লেট থেকে প্রায় ১৮ কেজি সোনা উদ্ধার

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের একটি ফ্লাইটের কার্গো কম্পার্টমেন্টের টয়লেট থেকে ১৫৩টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার প্রতিটি সোনার বারের ওজন ১১৬ গ্রাম, যার সর্বমোট ওজন ১৭ কেজি ৭৮৪ গ্রাম। সোনার বারগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ৩৮ কোটি টাকা। শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে যৌথ অভিযান চালিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ও এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যরা এসব সোনার বার উদ্ধার করেন। রোববার (২৯ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার রাত ৯টার দিকে শাহজালালে অবতরণ করে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৩৪৮। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিমানটিকে অবতরণের আগে থেকেই সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়। অবতরণের পর এভসেক সদস্যদের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে ফ্লাইটের কার্গো হোল্ডে নিবিড় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে কার্গো হোল্ডে অবস্থিত টয়লেটের প্যানেলে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ১৫৩ সোনার বার পাওয়া হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তকরণে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা এরই মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। বিমানবন্দরের নি

বিমানের টয়লেট থেকে প্রায় ১৮ কেজি সোনা উদ্ধার

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের একটি ফ্লাইটের কার্গো কম্পার্টমেন্টের টয়লেট থেকে ১৫৩টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার প্রতিটি সোনার বারের ওজন ১১৬ গ্রাম, যার সর্বমোট ওজন ১৭ কেজি ৭৮৪ গ্রাম। সোনার বারগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ৩৮ কোটি টাকা।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে যৌথ অভিযান চালিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ও এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যরা এসব সোনার বার উদ্ধার করেন। রোববার (২৯ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

jagonews24

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার রাত ৯টার দিকে শাহজালালে অবতরণ করে দুবাই থেকে ছেড়ে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৩৪৮। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিমানটিকে অবতরণের আগে থেকেই সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়। অবতরণের পর এভসেক সদস্যদের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে ফ্লাইটের কার্গো হোল্ডে নিবিড় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে কার্গো হোল্ডে অবস্থিত টয়লেটের প্যানেলে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ১৫৩ সোনার বার পাওয়া হয়।

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তকরণে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা এরই মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষায় এ ধরনের চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কেআর/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow