‘বিরতি নেওয়া কোচের দুর্বলতার লক্ষণ’ গার্দিওলাকে খোঁচা মরিনহোর!

ফুটবল থেকে এক বছর বিরতি নেওয়া বা ‘সাবাটিক্যাল’ কাটানোর ধারণা একেবারেই পছন্দ নয় হোসে মরিনহোর। বরং এমন বিরতিকে কোচের দুর্বলতার লক্ষণ বলে মনে করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই পর্তুগিজ কোচ। আর সেই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বী পেপ গার্দিওলাকেই যেন নতুন করে খোঁচা দিলেন তিনি। নেটফ্লিক্সের ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’ তথ্যচিত্রে নিজের ফুটবলজীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মরিনহো জানান, ফুটবল থেকে দূরে থাকার কথা তিনি কল্পনাই করতে পারেন না। অন্যদিকে গার্দিওলা ক্যারিয়ারে একাধিকবার কোচিং থেকে বিরতি নিয়েছেন। মরিনহো বলেন, ‘কিছু লোকের বিরতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। এই শব্দটাই আমি ঘৃণা করি। আমার কাছে সাবাটিক্যাল মানে দুর্বলতা। আমাকে সাবাটিক্যালের কথা বলবেন না। আমার কখনো বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। আমি মারা গেলে বিশ্রাম নেব।’ ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার সময় নিয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মরিনহো। তার মতে, এখনই ফুটবল থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। বরং আরও বহু বছর কোচিং চালিয়ে যেতে চান তিনি। মরিনহো বলেন, ‘আমি কল্পনাও করতে পারি না, কখন ফুটবলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শেষ হবে। আমি বলব আরও ১০ বছর, হয়তো তারও বেশি। এটা উপভোগের ব

‘বিরতি নেওয়া কোচের দুর্বলতার লক্ষণ’ গার্দিওলাকে খোঁচা মরিনহোর!

ফুটবল থেকে এক বছর বিরতি নেওয়া বা ‘সাবাটিক্যাল’ কাটানোর ধারণা একেবারেই পছন্দ নয় হোসে মরিনহোর। বরং এমন বিরতিকে কোচের দুর্বলতার লক্ষণ বলে মনে করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই পর্তুগিজ কোচ। আর সেই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বী পেপ গার্দিওলাকেই যেন নতুন করে খোঁচা দিলেন তিনি।

নেটফ্লিক্সের ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’ তথ্যচিত্রে নিজের ফুটবলজীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মরিনহো জানান, ফুটবল থেকে দূরে থাকার কথা তিনি কল্পনাই করতে পারেন না। অন্যদিকে গার্দিওলা ক্যারিয়ারে একাধিকবার কোচিং থেকে বিরতি নিয়েছেন।

মরিনহো বলেন, ‘কিছু লোকের বিরতি নেওয়ার প্রয়োজন হয়। এই শব্দটাই আমি ঘৃণা করি। আমার কাছে সাবাটিক্যাল মানে দুর্বলতা। আমাকে সাবাটিক্যালের কথা বলবেন না। আমার কখনো বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না। আমি মারা গেলে বিশ্রাম নেব।’

ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার সময় নিয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মরিনহো। তার মতে, এখনই ফুটবল থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। বরং আরও বহু বছর কোচিং চালিয়ে যেতে চান তিনি।

মরিনহো বলেন, ‘আমি কল্পনাও করতে পারি না, কখন ফুটবলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শেষ হবে। আমি বলব আরও ১০ বছর, হয়তো তারও বেশি। এটা উপভোগের বিষয়। আমি আরও শিরোপা জিততে চাই। এমন জায়গায় জিততে চাই যেখানে আগে কখনো জিতিনি, আবার এমন জায়গাতেও জিততে চাই যেখানে ইতিমধ্যে জিতেছি।’

ফুটবলকে নিজের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেও উল্লেখ করেন মরিনহো। তার কাছে হাজার হাজার দর্শকের সামনে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করাই জীবনের অন্যতম বড় আনন্দ।

‘আমার পৃথিবী হলো ৫০ হাজার, ৯০ হাজার দর্শকের সামনে ফুটবল স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা। এমনকি ১ লাখ দর্শকের সামনেও থেকেছি। সেটাই আমার পৃথিবী। ফুটবল ছাড়া আমার মনে হয় কিছু একটা অনুপস্থিত। তবে এটাকে আমি আসক্তি বলব না,’ বলেন ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’।

মরিনহো ও গার্দিওলার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত কোচিং দ্বৈরথ। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার দায়িত্বে থাকার সময় তাদের লড়াই যেমন উত্তাপ ছড়িয়েছে, তেমনি পরবর্তীতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ মরিনহো ও ম্যানচেস্টার সিটির কোচ গার্দিওলার দ্বৈরথ নতুন মাত্রা পায়।

মাঠের বাইরেও বিভিন্ন সময় দুজনের কথার লড়াই দেখা গেছে। এবার গার্দিওলার সাবাটিক্যাল নেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘দুর্বলতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সেই পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন অধ্যায় যোগ করলেন মরিনহো।

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow