বিশ্বকাপ ট্রফি দেখে যে বাজি ধরলেন জামাল ভূঁইয়া 

বিশ্ব ভ্রমণের অংশ হিসেবে সৌদি আরব থেকে যাত্রা শুরু করে অনেক দেশ ঘুরে আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ বিমানে বিশ্বকাপের স্বপ্নের এই ট্রফিকে বরণ করে নেওয়ার দলে ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।  এতদিন টিভি আর ছবিতে দেখা জাতীয় দলের এই অধিনায়ক এবারই প্রথম সরাসরি দেখলেন নিজের চোখে। তাও আবার হাতছোঁয়া দূরত্ব থেকে। স্বাভাবিকভাবেই রোমাঞ্চের জোয়ারে ভাসলেন জামাল।  ট্রফি দেখার আনন্দময় অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘সত্যি বলতে, বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার অভিজ্ঞতা ছিল একদম জোশ! আমি তো ভেবেছিলাম ট্রফিটা ছোট, কিন্তু সামনে থেকে দেখে বুঝলাম এটা বেশ বড়। খোঁজ নিয়ে জানলাম এর ওজন প্রায় চার কেজি, আর পুরোটাই খাঁটি সোনা। অভিজ্ঞতাটা দারুণ ছিল।’ বিশ্বকাপের এই ট্রফি যে কোনো খেলোয়াড় কিংবা সমর্থকের জন্যই স্বপ্নের। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো এলো বাংলাদেশে। যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ফুটবলারদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করেন জামাল। এই ট্রফি দেখে নতুন প্রজন্ম দেশকে একদিন বিশ্বকাপের মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দে

বিশ্বকাপ ট্রফি দেখে যে বাজি ধরলেন জামাল ভূঁইয়া 
বিশ্ব ভ্রমণের অংশ হিসেবে সৌদি আরব থেকে যাত্রা শুরু করে অনেক দেশ ঘুরে আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ বিমানে বিশ্বকাপের স্বপ্নের এই ট্রফিকে বরণ করে নেওয়ার দলে ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।  এতদিন টিভি আর ছবিতে দেখা জাতীয় দলের এই অধিনায়ক এবারই প্রথম সরাসরি দেখলেন নিজের চোখে। তাও আবার হাতছোঁয়া দূরত্ব থেকে। স্বাভাবিকভাবেই রোমাঞ্চের জোয়ারে ভাসলেন জামাল।  ট্রফি দেখার আনন্দময় অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে অধিনায়ক বলেন, ‘সত্যি বলতে, বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার অভিজ্ঞতা ছিল একদম জোশ! আমি তো ভেবেছিলাম ট্রফিটা ছোট, কিন্তু সামনে থেকে দেখে বুঝলাম এটা বেশ বড়। খোঁজ নিয়ে জানলাম এর ওজন প্রায় চার কেজি, আর পুরোটাই খাঁটি সোনা। অভিজ্ঞতাটা দারুণ ছিল।’ বিশ্বকাপের এই ট্রফি যে কোনো খেলোয়াড় কিংবা সমর্থকের জন্যই স্বপ্নের। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো এলো বাংলাদেশে। যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ফুটবলারদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করেন জামাল। এই ট্রফি দেখে নতুন প্রজন্ম দেশকে একদিন বিশ্বকাপের মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। অধিনায়ক বলেন, ‘আশা করি, আমাদের ফুটবলার যারা কঠোর পরিশ্রম করতে পারে, এটা তাদের জন্য অনুপ্রেরণার হোক। আমি মনে করি, যারা ফুটবলার হতে চায়, তাদের জন্য এই ট্রফি আরও অনুপ্রেরণার হবে।’ ব্রাজিল সমর্থক জামালের সঙ্গে কথা হয়েছে ফিফার দূত হয়ে ট্রফির সঙ্গে আসা ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি গিলবার্তো সিলভার। রোনালদো নাজারিওর জাদুকরি ফুটবলে ২০০২ সালে ব্রাজিল তাদের পঞ্চম ও শেষ বিশ্বকাপ জিতেছিল। সেই দলের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তোকে সামনাসামনি দেখে রোমাঞ্চিত জামাল। জানিয়েছেন তার জীবনের প্রথম ফেবারিট ফুটবলার ছিলেন রোনালদো। ব্রাজিল ফুটবলের সমর্থক হলেও জামালের চাওয়া এবার ট্রফিটা জিতুক তার জন্মভূমি ডেনমার্ক। তবে ডেনমার্ক না পারলে জামাল ভূঁইয়ার বাজি ব্রাজিল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মনেপ্রাণে চাই আমার জন্মভূমি ডেনমার্ক ট্রফিটা জিতুক। আর ডেনমার্ক যদি না পারে, তবে ট্রফিটা যেন ব্রাজিলের ঘরেই যায়!’ ২০০৬ সাল থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপের আগে ট্রফিটি বিশ্বভ্রমণে বের হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপের ট্রফি ট্যুর শুরু হয় চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি, সৌদি আরব থেকে। বেশ কয়েকটি দেশ ঘুরে আজ করল ঢাকা সফর।  সন্ধ্যা পর্যন্ত র‌্যাডিসন ব্লু হোটেলে প্রদর্শন করা হয়। পরের গন্তব্য দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দ্যেশে রাতেই ঢাকা ছাড়ে বিশ্বকাপের এই সোনালি ট্রফি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow