বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর যে দেশকে সমর্থন জানাল ইরান 

বিশ্বকাপ থেকে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিয়েছে ইরান। তবে টুর্নামেন্ট শেষে তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে মেক্সিকোর তিজুয়ানা শহরের মানুষের প্রতি। আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে ইরান জানিয়েছে, মেক্সিকো এখন তাদের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ এবং ‘দ্বিতীয় দল’। নকআউট পর্বে তাই মেক্সিকোকেই সমর্থন দেবে তারা। আগামীকাল সকালে শেষ ৩২-এর ম্যাচে ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে মেক্সিকো। ইরান ফুটবল দলের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রকৃত আতিথেয়তা মানে সম্মান, মানবিকতা ও মর্যাদা। তিজুয়ানার মানুষের আন্তরিকতা আমরা কখনো ভুলব না। আজ থেকে মেক্সিকো শুধু একটি আয়োজক দেশ নয়, এটি আমাদের দ্বিতীয় বাড়ি এবং মেক্সিকো জাতীয় দল আমাদের দ্বিতীয় দল।’ এর আগে টুর্নামেন্টের শুরুতে লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে নিজেদের দুটি ম্যাচ শেষে লকার রুমে একটি ধন্যবাদবার্তাও রেখে গিয়েছিল ইরানি দল। সেখানে শহরটির আতিথেয়তার প্রশংসা করা হয়েছিল। বিশ্বকাপে ইরানের বিদায়ও ছিল নাটকীয়। মিসরের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে ইনজুরি সময়ে তাদের একটি গোল খুব অল্প ব্যবধানে অফসাইড হওয়ায় বাতিল হয়। গোলটি বৈধ হলে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারত দলটি। একই সঙ্গে

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর যে দেশকে সমর্থন জানাল ইরান 

বিশ্বকাপ থেকে গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিয়েছে ইরান। তবে টুর্নামেন্ট শেষে তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে মেক্সিকোর তিজুয়ানা শহরের মানুষের প্রতি। আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে ইরান জানিয়েছে, মেক্সিকো এখন তাদের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ এবং ‘দ্বিতীয় দল’। নকআউট পর্বে তাই মেক্সিকোকেই সমর্থন দেবে তারা।

আগামীকাল সকালে শেষ ৩২-এর ম্যাচে ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে মেক্সিকো।

ইরান ফুটবল দলের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রকৃত আতিথেয়তা মানে সম্মান, মানবিকতা ও মর্যাদা। তিজুয়ানার মানুষের আন্তরিকতা আমরা কখনো ভুলব না। আজ থেকে মেক্সিকো শুধু একটি আয়োজক দেশ নয়, এটি আমাদের দ্বিতীয় বাড়ি এবং মেক্সিকো জাতীয় দল আমাদের দ্বিতীয় দল।’

এর আগে টুর্নামেন্টের শুরুতে লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে নিজেদের দুটি ম্যাচ শেষে লকার রুমে একটি ধন্যবাদবার্তাও রেখে গিয়েছিল ইরানি দল। সেখানে শহরটির আতিথেয়তার প্রশংসা করা হয়েছিল।

বিশ্বকাপে ইরানের বিদায়ও ছিল নাটকীয়। মিসরের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচে ইনজুরি সময়ে তাদের একটি গোল খুব অল্প ব্যবধানে অফসাইড হওয়ায় বাতিল হয়। গোলটি বৈধ হলে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারত দলটি।

একই সঙ্গে প্রতিপক্ষ মিসরেরও প্রশংসা করেছে ইরান। তাদের ভাষ্য, ‘বিশ্বকাপ শেষ হয়, কর্মকর্তা বদলে যান। কিন্তু ইরান, মিসর ও মেক্সিকোর মতো হাজার বছরের সভ্যতা, যা সত্য, সম্মান ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে, ইতিহাসে চিরকাল টিকে থাকবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow