বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেশগুলোর অদ্ভুত যত উৎসব
ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মাতামাতির শেষ নেই। চলছে জার্সি, পতাকা কেনা-বেচা, কোথাও আবার প্রিয় দলের পক্ষ নয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে বাকযুদ্ধ। সমর্থক দল নিয়ে কে কত বেশি জানেন তার প্রতিযোগিতা, বড় প্রজেক্টরে পাড়া-মহল্লা বা ক্যাম্পাসের সবাই মিলে খেলা দেখার উৎসবে মেতে উঠেছে দেশ। বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সব দেশ নিয়েই আগ্রহ দেখা যায়। বিশেষ করে ম্যাচ শেষে ইতিহাস তৈরি করা কোনো দেশ কিংবা নতুন কোনো দেশ, সব দেশের সম্পর্কেই মানুষের আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। বিশ্বকাপ খেলা দেশগুলো শুধু মাঠেই নয়, সংস্কৃতিতেও একেকটি রঙিন দুনিয়া। কোথাও টমেটো যুদ্ধ, কোথাও পনিরের দৌড়, আবার কোথাও রঙিন কার্নিভাল-সব মিলিয়ে এই উৎসবগুলো প্রমাণ করে যে মানুষের আনন্দ প্রকাশের ভাষা এক নয়, বরং অসংখ্য। বিশ্বকাপ খেলুড়ে দেশগুলোর সবচেয়ে অদ্ভুত উৎসব এই বিষয়টি শুধু কৌতূহলই জাগায় না, বরং ফুটবলের বাইরেও এসব দেশের সংস্কৃতি কতটা বৈচিত্র্যময় তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। মাঠে যেমন তাদের খেলার স্টাইল আলাদা, তেমনি উৎসব-আনন্দেও আছে বিস্ময়কর রঙ, অদ্ভুত রীতি আর বহু বছরের ঐতিহ্য। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমনই কয়েকটি দেশের ব্যতিক্রমী এবং অদ্ভুত উৎসব সম্পর্কে- ব্রাজিল: কার্নিভালের
ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মাতামাতির শেষ নেই। চলছে জার্সি, পতাকা কেনা-বেচা, কোথাও আবার প্রিয় দলের পক্ষ নয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে বাকযুদ্ধ। সমর্থক দল নিয়ে কে কত বেশি জানেন তার প্রতিযোগিতা, বড় প্রজেক্টরে পাড়া-মহল্লা বা ক্যাম্পাসের সবাই মিলে খেলা দেখার উৎসবে মেতে উঠেছে দেশ।
বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সব দেশ নিয়েই আগ্রহ দেখা যায়। বিশেষ করে ম্যাচ শেষে ইতিহাস তৈরি করা কোনো দেশ কিংবা নতুন কোনো দেশ, সব দেশের সম্পর্কেই মানুষের আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। বিশ্বকাপ খেলা দেশগুলো শুধু মাঠেই নয়, সংস্কৃতিতেও একেকটি রঙিন দুনিয়া। কোথাও টমেটো যুদ্ধ, কোথাও পনিরের দৌড়, আবার কোথাও রঙিন কার্নিভাল-সব মিলিয়ে এই উৎসবগুলো প্রমাণ করে যে মানুষের আনন্দ প্রকাশের ভাষা এক নয়, বরং অসংখ্য।
বিশ্বকাপ খেলুড়ে দেশগুলোর সবচেয়ে অদ্ভুত উৎসব এই বিষয়টি শুধু কৌতূহলই জাগায় না, বরং ফুটবলের বাইরেও এসব দেশের সংস্কৃতি কতটা বৈচিত্র্যময় তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। মাঠে যেমন তাদের খেলার স্টাইল আলাদা, তেমনি উৎসব-আনন্দেও আছে বিস্ময়কর রঙ, অদ্ভুত রীতি আর বহু বছরের ঐতিহ্য।
আসুন জেনে নেওয়া যাক এমনই কয়েকটি দেশের ব্যতিক্রমী এবং অদ্ভুত উৎসব সম্পর্কে-
ব্রাজিল: কার্নিভালের ঢেউয়ে ফুটে ওঠে জীবন
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল শক্তিগুলোর একটি ব্রাজিল। কিন্তু ফুটবলের বাইরেও দেশটি বিখ্যাত রিও কার্নিভাল এর জন্য। বিশাল রঙিন পোশাক, সাম্বা নাচ আর রাস্তার শোভাযাত্রা সব মিলিয়ে পুরো শহরটাই যেন এক বিশাল মঞ্চ। লক্ষ মানুষের ভিড়ে সংগীতের তালে তালে নাচে পুরো দেশ। এই উৎসবকে অনেকেই ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় পার্টি’ বলে থাকেন।
স্পেন: টমেটোর যুদ্ধে রাস্তাই রঙিন লাল
স্পেনের লা টমাটিনা উৎসব সত্যিই অদ্ভুত। এখানে মানুষ একে অপরকে লক্ষ্য করে টমেটো ছোড়ে। পুরো শহরের রাস্তা লাল হয়ে যায় টমেটোর রসে। কোনো প্রতিযোগিতা নয়, শুধু আনন্দ আর বিশৃঙ্খল হাসির উৎসব। ফুটবলের মতোই স্পেনীয়দের এই উৎসবেও থাকে আবেগ আর উন্মাদনা।
মেক্সিকো: মৃতদের দিবসের রহস্যময় সৌন্দর্য
মেক্সিকোর ডে অব দ্য ডেড উৎসব পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক আয়োজনগুলোর একটি। মানুষ তাদের প্রয়াত আত্মীয়দের স্মরণ করে রঙিন খুলি, মোমবাতি, ফুল আর বিশেষ খাবারের মাধ্যমে। মৃত্যুকে ভয় নয়, বরং সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করাই এই উৎসবের মূল বার্তা।
জাপান: কামদেবের মন্দিরে অদ্ভুত পূজা
জাপানের কানামারা মাতসুরি উৎসবকে অনেকেই ‘ফার্টিলিটি ফেস্টিভাল’ নামে চেনেন। এখানে বিশাল আকারের প্রতীকী ভাস্কর্য নিয়ে শোভাযাত্রা হয়। এই উৎসবের উদ্দেশ্য হলো সুস্বাস্থ্য, সন্তান জন্মদান এবং সম্পর্কের শুভকামনা। অদ্ভুত হলেও এটি জাপানের গভীর ঐতিহ্যের অংশ।
যুক্তরাজ্য: পনিরের পেছনে মানুষ গড়িয়ে যায় পাহাড়ে
ইংল্যান্ডের চিজ-রোলিং ফেস্টিভাল সত্যিই অবিশ্বাস্য। খাড়া পাহাড় বেয়ে একটি গোল পনিরের চাকা গড়িয়ে দেওয়া হয়, আর শত শত মানুষ সেটার পেছনে দৌড়ায়। পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়া সাধারণ ঘটনা, তবুও মানুষ প্রতি বছর এই উৎসবে অংশ নেয়।
নেদারল্যান্ডস: রাজকীয় কমলা রঙের দিন
নেদারল্যান্ডসের কিংস ডে উৎসবে পুরো দেশ কমলা রঙে ঢেকে যায়। রাস্তায় বাজার বসে, নৌকায় পার্টি হয় এবং মানুষ গান-নাচে মেতে ওঠে। এটি শুধু একটি জাতীয় দিবস নয়, বরং দেশের ঐক্য ও আনন্দের প্রতীক।
আর্জেন্টিনা: ট্যাঙ্গোর শহরে আবেগের উৎসব
ফুটবলের মতোই আর্জেন্টিনার সংস্কৃতিতেও আছে গভীর আবেগ। বুয়েনস আইরেস ট্যাঙ্গো ফেস্টিভাল-এ হাজারো মানুষ রাস্তায় নাচে ট্যাঙ্গো। এটি প্রেম, বেদনা আর জীবনের গল্প বলার এক ভিন্ন ভাষা।
জার্মানি: অক্টোবরফেস্টের বিয়ার উল্লাস
জার্মানির অক্টোবরফেস্ট বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। বিশাল তাঁবু, ঐতিহ্যবাহী পোশাক, গান আর বিয়ার-সব মিলিয়ে এটি এক বিশাল সামাজিক উৎসব। এখানে মানুষ শুধু পান করে না, বরং সংস্কৃতি উদযাপন করে।
সূত্র: বিবিসি, হিস্টোরি ডটকম, ট্রাভেল সেন্টার ইউকে
কেএসকে
What's Your Reaction?


