বিশ্বকাপে গোলবন্যায় নতুন রেকর্ড

২০২৬ বিশ্বকাপে গোলের বন্যা যেন থামছেই না। আর সেই গোল উৎসবেই ভেঙে গেছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্ডার অস্টন ট্রাস্টির একটি গোলই এনে দিয়েছে নতুন এই মাইলফলক। ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গলউডে তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র তিন মিনিটে গোল করেন ট্রাস্টি। সেই গোলটি ছিল চলতি বিশ্বকাপের ১৭৩তম গোল। এর মধ্য দিয়েই ভেঙে যায় ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে হওয়া ১৭২ গোলের রেকর্ড। রেকর্ড ভাঙার পরও থামেনি গোলের ধারা। যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্ক ম্যাচে আরও চারটি গোল হয়। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় তুরস্ক। ফলে চলতি আসরে মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৭৭। এই রেকর্ড গড়া হয়েছে মাত্র ৫৯টি ম্যাচ শেষে। যদিও ৬০তম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ের গোলশূন্য ড্রয়ের কারণে গোলসংখ্যা আর বাড়েনি। ২০২২ বিশ্বকাপে মোট ৬৪টি ম্যাচে হয়েছিল ১৭২ গোল। এবার ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৪। অর্থাৎ আগের আসরের তুলনায় ৪০টি ম্যাচ বেশি থাকায় গোলের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে। এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ১০টি করে গোল করেছে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস। আটটি করে গোল করেছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র। সাতটি করে গোল করেছে সুইজারল্যান্ড, ব্রাজিল, জাপান

বিশ্বকাপে গোলবন্যায় নতুন রেকর্ড

২০২৬ বিশ্বকাপে গোলের বন্যা যেন থামছেই না। আর সেই গোল উৎসবেই ভেঙে গেছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্ডার অস্টন ট্রাস্টির একটি গোলই এনে দিয়েছে নতুন এই মাইলফলক। ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গলউডে তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র তিন মিনিটে গোল করেন ট্রাস্টি। সেই গোলটি ছিল চলতি বিশ্বকাপের ১৭৩তম গোল। এর মধ্য দিয়েই ভেঙে যায় ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে হওয়া ১৭২ গোলের রেকর্ড।

রেকর্ড ভাঙার পরও থামেনি গোলের ধারা। যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্ক ম্যাচে আরও চারটি গোল হয়। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় তুরস্ক। ফলে চলতি আসরে মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৭৭। এই রেকর্ড গড়া হয়েছে মাত্র ৫৯টি ম্যাচ শেষে। যদিও ৬০তম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও প্যারাগুয়ের গোলশূন্য ড্রয়ের কারণে গোলসংখ্যা আর বাড়েনি।

২০২২ বিশ্বকাপে মোট ৬৪টি ম্যাচে হয়েছিল ১৭২ গোল। এবার ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৪। অর্থাৎ আগের আসরের তুলনায় ৪০টি ম্যাচ বেশি থাকায় গোলের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে।

এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ১০টি করে গোল করেছে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস। আটটি করে গোল করেছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র। সাতটি করে গোল করেছে সুইজারল্যান্ড, ব্রাজিল, জাপান, সুইডেন ও নরওয়ে।

বিশ্বকাপে এই গোলবন্যা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘কাতারের ১৭২ গোলের রেকর্ড ভেঙে যাওয়া দেখিয়ে দিচ্ছে, ২০২৬ বিশ্বকাপ কতটা আক্রমণাত্মক, রোমাঞ্চকর এবং স্মরণীয় হয়ে উঠেছে।’

গোলের পর গোল, রেকর্ডের পর রেকর্ড সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ এখন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আক্রমণাত্মক আসর হিসেবে জায়গা করে নিতে চলেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow