বিশ্বকাপে প্রথমবার দুই ফুটবলারের ৮ গোল, মেসি-এমবাপ্পের অনন্য রেকর্ড
ফিফা বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে আগে যা কখনো দেখা যায়নি, ২০২৬ আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে এসে ঠিক সেটাই ঘটল। বৃহস্পতিবার মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের হয়ে প্রথম গোলটি করার মাধ্যমে টুর্নামেন্টের গোলদাতার দৌড়কে এক নজিরবিহীন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবার একই সংস্করণে দুই-দুজেন খেলোয়াড় ৮টি করে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়লেন। এর আগে আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসি ৮ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন, আর এবার এমবাপ্পে তাকে ছুঁয়ে ফেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইকে আগের সব বিশ্বকাপের চেয়ে রোমাঞ্চকর করে তুলেছেন।
এই অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যানের ফলে একটি অদ্ভুত ও কৌতূহলোদ্দীপক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। এই আসরে যে খেলোয়াড়টি শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে দ্বিতীয় স্থানে (রানার্স-আপ) থাকবেন, তিনিও বিশ্বকাপের ইতিহাসে টুর্নামেন্ট জুড়ে সবচেয়ে বেশি গোল করা রানার্স-আপ হিসেবে বিদায় নেবেন।
এর আগের সব বিশ্বকাপে সাধারণত ৮টি গোলই শীর্ষ গোলদাতা হওয়ার বা যৌথভাবে খেতাব জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল। কিন্তু এবার মেসি ও এমবাপ্পে দুজনেই ৮ গোল নিয়ে টুর্নামেন্টে টিকে থাকায় এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ৮টি গোল
ফিফা বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে আগে যা কখনো দেখা যায়নি, ২০২৬ আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে এসে ঠিক সেটাই ঘটল। বৃহস্পতিবার মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের হয়ে প্রথম গোলটি করার মাধ্যমে টুর্নামেন্টের গোলদাতার দৌড়কে এক নজিরবিহীন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবার একই সংস্করণে দুই-দুজেন খেলোয়াড় ৮টি করে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়লেন। এর আগে আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসি ৮ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন, আর এবার এমবাপ্পে তাকে ছুঁয়ে ফেলে গোল্ডেন বুটের লড়াইকে আগের সব বিশ্বকাপের চেয়ে রোমাঞ্চকর করে তুলেছেন।
এই অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যানের ফলে একটি অদ্ভুত ও কৌতূহলোদ্দীপক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। এই আসরে যে খেলোয়াড়টি শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে দ্বিতীয় স্থানে (রানার্স-আপ) থাকবেন, তিনিও বিশ্বকাপের ইতিহাসে টুর্নামেন্ট জুড়ে সবচেয়ে বেশি গোল করা রানার্স-আপ হিসেবে বিদায় নেবেন।
এর আগের সব বিশ্বকাপে সাধারণত ৮টি গোলই শীর্ষ গোলদাতা হওয়ার বা যৌথভাবে খেতাব জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল। কিন্তু এবার মেসি ও এমবাপ্পে দুজনেই ৮ গোল নিয়ে টুর্নামেন্টে টিকে থাকায় এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ৮টি গোল করার পরও কোনো খেলোয়াড় এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা নাও হতে পারেন।
এই মাইলফলকটি বড় ম্যাচগুলোতে এমবাপ্পের কার্যকারিতাকে আরও একবার প্রমাণ করেছে। মরক্কোর বিপক্ষে এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটি আরও সমৃদ্ধ করলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড, যা তিনি বেশ কম বয়সেই নিজের করে নিয়েছিলেন।
২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়া, ২০২২ সালের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করা এবং ২০২৬ সালের আসরেও তার এই ধারাবাহিকতা ফরাসিদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
একই সাথে, বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় মেসির পেছনে নিজের ছুটন্ত জয়রথ সচল রেখেছেন এমবাপ্পে। এই আসরে মেসি একের পর এক দূরবর্তী রেকর্ড ভেঙে সবার ওপরে আসন নিলেও, ফরাসি স্ট্রাইকারও সমানতালে ব্যবধান কমিয়ে আনছেন। বিশ্বকাপের মূল নকআউট পর্বের লড়াইয়ের পাশাপাশি এই দুই তারকার গোলবন্যার যুদ্ধ এখন এক সমান্তরাল দ্বৈরথে রূপ নিয়েছে।
এই দ্বৈরথে এখনও নতুন নতুন অধ্যায় যুক্ত হওয়া বাকি। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি যখন মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন এমবাপ্পে ফ্রান্সকে আরও একটি সেমিফাইনালে তোলার মিশন শেষ করলেন।
মেসি, এমবাপ্পে, হালান্ড কিংবা হ্যারি কেনদের দুর্দান্ত ফর্মে এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই তারকাখচিত এক আসরে পরিণত হয়েছিল। তবে একই আসরে দুই খেলোয়াড়ের ৮টি করে গোল করার এই প্রতীকী রেকর্ডটি ২০২৬ বিশ্বকাপকে ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় করে রাখবে।