বিশ্বকাপে ভিনিসিয়াস শো চলছেই
ব্রাজিলের আশা-ভরসার পুরোটাই নির্ভর করছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ওপর। আর সেই ভরসার প্রতিদান তিনি দিয়ে চলেছেন। মরক্কোর পর হাইতির বিপক্ষেও আবারও সেই একই পারফরম্যান্স।
এই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় গোল পেয়েছেন আজ। বাঁ প্রান্ত দিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ করেছেন। ভিতরে ঢুকেছেন। দলের আক্রমণ একাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন। নিচে নেমে লেফট ব্যাকে ডিফেন্সের দায়িত্বও সামলেছেন।
হাইতির বিপক্ষে তিন গোলের জয়ে তিনটা গোলেই কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে আছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের নাম। দুটো অ্যাসিস্ট করেছেন। তিনি আক্রমণ শানিয়েছেন বলেই ম্যাথিউস কুনহার পক্ষে গোল করা সহজ হয়েছে।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল জয়ে ফিরল দ্বিতীয় ম্যাচে। ম্যাচের ২৩ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন ভিনিসিয়াস। হাইতি গোলরক্ষক জনি প্লাসিড প্রথম দফায় বল ঠেকালেও ফিরতি বলে নিখুঁত শটে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কুনহা।
এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্রাজিলের আক্রমণভাগের চিরচেনা ছন্দ ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ভিনিসিয়াসের বাড়ানো দুর্দান্ত এক ডিফেন্সচেরা থ্রু পাস ধরে বাঁ পায়ের কোণাকুণি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে
ব্রাজিলের আশা-ভরসার পুরোটাই নির্ভর করছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ওপর। আর সেই ভরসার প্রতিদান তিনি দিয়ে চলেছেন। মরক্কোর পর হাইতির বিপক্ষেও আবারও সেই একই পারফরম্যান্স।
এই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় গোল পেয়েছেন আজ। বাঁ প্রান্ত দিয়ে ক্রমাগত আক্রমণ করেছেন। ভিতরে ঢুকেছেন। দলের আক্রমণ একাই নিয়ন্ত্রণ করেছেন। নিচে নেমে লেফট ব্যাকে ডিফেন্সের দায়িত্বও সামলেছেন।
হাইতির বিপক্ষে তিন গোলের জয়ে তিনটা গোলেই কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে আছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের নাম। দুটো অ্যাসিস্ট করেছেন। তিনি আক্রমণ শানিয়েছেন বলেই ম্যাথিউস কুনহার পক্ষে গোল করা সহজ হয়েছে।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল জয়ে ফিরল দ্বিতীয় ম্যাচে। ম্যাচের ২৩ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন ভিনিসিয়াস। হাইতি গোলরক্ষক জনি প্লাসিড প্রথম দফায় বল ঠেকালেও ফিরতি বলে নিখুঁত শটে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন কুনহা।
এক গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ব্রাজিলের আক্রমণভাগের চিরচেনা ছন্দ ফিরে আসে। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ভিনিসিয়াসের বাড়ানো দুর্দান্ত এক ডিফেন্সচেরা থ্রু পাস ধরে বাঁ পায়ের কোণাকুণি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন কুনহা। দুই গোলের পরই কুনিয়ার ‘হ্যাং টেন’ সার্ফিং উদযাপনে গ্যালারিতে তখন সাম্বার ঢেউ।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে হাইতির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকে দেন খোদ ভিনিসিয়াস। বাঁ প্রান্ত দিয়ে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে ‘ক্লিনিক্যাল’ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ৩-০ করেন ব্রাজিলের এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে সেলেসাওরা। প্রথমার্ধের দাপটের পর বিরতির পর ব্রাজিলের ফরোয়ার্ডদের এই ঝিমিয়ে পড়া রূপ কিছুটা খটকা জাগালেও, এই ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান ঠিকই দিয়ে রাখল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।