বিশ্বকাপে যে রাউন্ডে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের এক অপূর্ণ ইচ্ছা হলো বিশ্বকাপের মঞ্চে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা। ক্লাব ফুটবল এবং ব্যক্তিগত পুরস্কারের লড়াইয়ে বহুবার একে অপরের মুখোমুখি হলেও ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এই দুই মহাতারকার দেখা হয়নি কখনো। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান আসরে আর্জেন্টিনা খেলছে ‘জে’ গ্রুপে, আর পর্তুগাল রয়েছে ‘কে’ গ্রুপে। গ্রুপপর্বের ফলাফল এবং নকআউট পর্বের সম্ভাব্য ব্র্যাকেট বিবেচনায় কয়েকটি ভিন্ন পথে মেসি ও রোনালদোর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যে টানা দুই জয়ে ছয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে এবং গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে। শেষ ম্যাচে হারলেও হেড-টু-হেড সুবিধার কারণে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরের পর্বে ওঠার সম্ভাবনা তাদেরই বেশি। অন্যদিকে, দুই ম্যাচ শেষে পর্তুগালের সংগ্রহ চার পয়েন্ট। শেষ ম্যাচের ফল এবং গ্রুপের অন্যান্য সমীকরণের ওপর নির্ভর করে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ কিংবা সেরা তৃতীয় দল হিসেবেও নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারে। সবচেয়ে আলোচিত সম্ভাবনা হলো কোয়ার্টার ফাইনাল। যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগ

বিশ্বকাপে যে রাউন্ডে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল

ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের এক অপূর্ণ ইচ্ছা হলো বিশ্বকাপের মঞ্চে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা। ক্লাব ফুটবল এবং ব্যক্তিগত পুরস্কারের লড়াইয়ে বহুবার একে অপরের মুখোমুখি হলেও ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এই দুই মহাতারকার দেখা হয়নি কখনো। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বর্তমান আসরে আর্জেন্টিনা খেলছে ‘জে’ গ্রুপে, আর পর্তুগাল রয়েছে ‘কে’ গ্রুপে। গ্রুপপর্বের ফলাফল এবং নকআউট পর্বের সম্ভাব্য ব্র্যাকেট বিবেচনায় কয়েকটি ভিন্ন পথে মেসি ও রোনালদোর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যে টানা দুই জয়ে ছয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে এবং গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে। শেষ ম্যাচে হারলেও হেড-টু-হেড সুবিধার কারণে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরের পর্বে ওঠার সম্ভাবনা তাদেরই বেশি।

অন্যদিকে, দুই ম্যাচ শেষে পর্তুগালের সংগ্রহ চার পয়েন্ট। শেষ ম্যাচের ফল এবং গ্রুপের অন্যান্য সমীকরণের ওপর নির্ভর করে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ কিংবা সেরা তৃতীয় দল হিসেবেও নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারে।

সবচেয়ে আলোচিত সম্ভাবনা হলো কোয়ার্টার ফাইনাল। যদি আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল উভয়েই নিজ নিজ গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে নকআউটে ওঠে এবং পরবর্তী দুই ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে, তাহলে শেষ আটের লড়াইয়ে তাদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। সেক্ষেত্রে ১১ জুলাই কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে পারে বহু প্রতীক্ষিত এই দ্বৈরথ।

আরেকটি সম্ভাবনা রয়েছে নকআউটের প্রথম ধাপেই। যদি আর্জেন্টিনা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং পর্তুগাল সেরা তৃতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে জায়গা পায়, তাহলে রাউন্ড অব ৩২-এই দেখা হয়ে যেতে পারে দুই দলের।

অন্যদিকে, পর্তুগাল যদি তৃতীয় স্থান নিয়ে নকআউটে উঠে ভিন্ন ব্র্যাকেটে অবস্থান করে, তাহলে সেমিফাইনালেও দুই দলের লড়াই হতে পারে।

তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দৃশ্যপট হলো ফাইনাল। যদি আর্জেন্টিনা গ্রুপসেরা এবং পর্তুগাল রানারআপ হিসেবে নকআউট পর্বে যায়, তাহলে তারা ভিন্ন ব্র্যাকেটে অবস্থান করবে। সেক্ষেত্রে উভয় দল সব বাধা পেরোতে পারলে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মেসি ও রোনালদোর ঐতিহাসিক মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচগুলো শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা না গেলেও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কোয়ার্টার ফাইনালেই এই দুই কিংবদন্তির দেখা হওয়ার সম্ভাবনাকে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow