বিশ্বকাপে রোনালদো-রিভালদোর কীর্তি ছুঁলেন এমবাপে-দেম্বেলে
২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে গোল করে ব্রাজিলের কিংবদন্তি জুটি রোনালদো ও রিভালদো। তাদের সেই অনন্য কীর্তির পাশে নাম লিখিয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান দেম্বেলে। এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত এমবাপের গোলসংখ্যা ৮, আর দেম্বেলের ৫। অর্থাৎ দুজন মিলে করেছেন ১৩ গোল। অপটার তথ্য অনুযায়ী, একই বিশ্বকাপ আসরে একই দেশের দুই খেলোয়াড়ের অন্তত পাঁচটি করে গোল করার ঘটনা সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ২০০২ সালে। সেবার ব্রাজিলের পঞ্চম বিশ্বকাপ জয়ে রোনালদো করেছিলেন ৮ গোল, আর রিভালদোর নামের পাশে ছিল ৫ গোল। সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করায় এমবাপে ও দেম্বেলের সামনে এখনো অন্তত দুটি ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে। ফলে ২০০২ সালে রোনালদো-রিভালদোর যৌথ গোলসংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে তাদের সামনে। তবে ফরাসি এই জুটির লক্ষ্য আরও বড় একটি রেকর্ডও হতে পারে। এক আসরের বিশ্বকাপে একই দেশের দুই খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ সম্মিলিত গোলের রেকর্ড এখনো ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন ও রেমন্ড কোপার দখলে। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে তারা দুজন মিলে করেছিলেন ১৬ গোল। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ১৯৫৪ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরির সানদর কচসিস ও ফেরেঙ্ক প
২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে গোল করে ব্রাজিলের কিংবদন্তি জুটি রোনালদো ও রিভালদো। তাদের সেই অনন্য কীর্তির পাশে নাম লিখিয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ও উসমান দেম্বেলে। এই বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত এমবাপের গোলসংখ্যা ৮, আর দেম্বেলের ৫। অর্থাৎ দুজন মিলে করেছেন ১৩ গোল।
অপটার তথ্য অনুযায়ী, একই বিশ্বকাপ আসরে একই দেশের দুই খেলোয়াড়ের অন্তত পাঁচটি করে গোল করার ঘটনা সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ২০০২ সালে। সেবার ব্রাজিলের পঞ্চম বিশ্বকাপ জয়ে রোনালদো করেছিলেন ৮ গোল, আর রিভালদোর নামের পাশে ছিল ৫ গোল।
সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করায় এমবাপে ও দেম্বেলের সামনে এখনো অন্তত দুটি ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে। ফলে ২০০২ সালে রোনালদো-রিভালদোর যৌথ গোলসংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে তাদের সামনে।
তবে ফরাসি এই জুটির লক্ষ্য আরও বড় একটি রেকর্ডও হতে পারে। এক আসরের বিশ্বকাপে একই দেশের দুই খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ সম্মিলিত গোলের রেকর্ড এখনো ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন ও রেমন্ড কোপার দখলে। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে তারা দুজন মিলে করেছিলেন ১৬ গোল। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ১৯৫৪ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরির সানদর কচসিস ও ফেরেঙ্ক পুসকাসের ১৫ গোল।
মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে এমবাপে ব্যক্তিগতভাবেও গড়েছেন আরেকটি অনন্য কীর্তি। অপটার তথ্য বলছে, গত ৬০ বছরে তিনিই একমাত্র ফুটবলার, যিনি দুটি ভিন্ন বিশ্বকাপ আসরে অন্তত ১০টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন।
২০২২ বিশ্বকাপে এমবাপে করেছিলেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছিলেন আরও ২ গোল। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তার ঝুলিতে রয়েছে ৮ গোলের পাশাপাশি ৩টি অ্যাসিস্ট।
আরএএইচইউএল/এসকেডি/জেআইএম
What's Your Reaction?