বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সাবেক কোচের ওপর ভরসা জিম্বাবুয়ের
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বড় কৌশলগত শক্তি বাড়াল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। বাংলাদেশের সাবেক বোলিং কোচ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার কোর্টনি ওয়ালশকে জাতীয় দলের বোলিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (জেডসি)। বোর্ড নিশ্চিত করেছে—ওয়ালশ ইতিমধ্যেই দলের সঙ্গে কাজ শুরু করেছেন এবং বিশ্বকাপ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে থাকবেন।
টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বোলার হিসেবে ৫০০ উইকেট ছোঁয়ার ঐতিহাসিক কীর্তির অধিকারী ওয়ালশ শুধু মাঠেই নয়, কোচিংয়েও দীর্ঘ অভিজ্ঞ। তিনি এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পুরুষ দল, বাংলাদেশ জাতীয় দল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী দলের সঙ্গেও কাজ করেছেন। বাংলাদেশে তার সময়কাল (২০১৬–২০১৯) বিশেষভাবে স্মরণীয়—যেখানে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানদের মতো পেসারদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে জিম্বাবুয়ে নারী দলের টেকনিক্যাল পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেছেন এই ক্যারিবীয় কিংবদন্তি।
পুরুষ দলে নতুন দায়িত্ব পেয়ে ওয়ালশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেছেন, ‘পরিকল্পনা ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে, দল হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকলে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারলে আমাদের সামনে বড় সুযোগ আছে
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বড় কৌশলগত শক্তি বাড়াল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। বাংলাদেশের সাবেক বোলিং কোচ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার কোর্টনি ওয়ালশকে জাতীয় দলের বোলিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (জেডসি)। বোর্ড নিশ্চিত করেছে—ওয়ালশ ইতিমধ্যেই দলের সঙ্গে কাজ শুরু করেছেন এবং বিশ্বকাপ পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে থাকবেন।
টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম বোলার হিসেবে ৫০০ উইকেট ছোঁয়ার ঐতিহাসিক কীর্তির অধিকারী ওয়ালশ শুধু মাঠেই নয়, কোচিংয়েও দীর্ঘ অভিজ্ঞ। তিনি এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পুরুষ দল, বাংলাদেশ জাতীয় দল এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী দলের সঙ্গেও কাজ করেছেন। বাংলাদেশে তার সময়কাল (২০১৬–২০১৯) বিশেষভাবে স্মরণীয়—যেখানে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানদের মতো পেসারদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে জিম্বাবুয়ে নারী দলের টেকনিক্যাল পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেছেন এই ক্যারিবীয় কিংবদন্তি।
পুরুষ দলে নতুন দায়িত্ব পেয়ে ওয়ালশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেছেন, ‘পরিকল্পনা ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে, দল হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকলে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারলে আমাদের সামনে বড় সুযোগ আছে। বর্তমান বোলিং কম্বিনেশন আমাকে আশাবাদী করেছে—দলের ভেতরে দারুণ সম্ভাবনা আছে।’
বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন ব্লেসিং মুজারাবানি। তার সঙ্গে থাকবেন রিচার্ড এনগারাভা ও টিনোটেন্ডা মাপোসা। সিম-বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে দলে আছেন ব্র্যাড ইভান্স ও তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া। স্পিন বিভাগ সামলাবেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, গ্রায়েম ক্রেমার এবং অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে খেলবে গ্রুপ ‘বি’-তে। তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, ওমান ও সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কায়।
ওয়ালশের অভিজ্ঞতা আর জিম্বাবুয়ের তরুণ শক্তির মেলবন্ধনে—বিশ্বকাপে চমক দেখানোর প্রস্তুতিতেই এখন আফ্রিকান এই দল।