বিশ্বকাপের যে রেকর্ড ৬৮ বছরেও ভাঙতে পারেনি কেউ
ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন কিছু রেকর্ড আছে যা সময়ের সঙ্গে আরও মহিমান্বিত হয়ে ওঠে। ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপে ফ্রান্সের স্ট্রাইকার জ্যাঁ ফন্তে এক আসরে ১৩টি গোল করে যে রেকর্ড গড়েছিলেন, তা আজও অটুট। ২০২৬ সালে এসে ৬৮ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো ফুটবলার এই অসাধারণ কীর্তি ছুঁতে পারেননি। মাত্র ৬ ম্যাচে ১৩ গোল; এই পরিসংখ্যান শুনলেই চোখ কপালে ওঠে। ফন্তে সেবার ফ্রান্সকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি এককভাবেই করেছিলেন টুর্নামেন্টের ব্যক্তিগত সর্বাধিক গোল। ফন্তের আগে কিংবা পরে- কেউ এত গোল এক আসরে করতে পারেননি। পেলের হ্যাটট্রিকে সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ৫-২ গোলে হারলেও ফন্তের ব্যক্তিগত সাফল্য আজও ফুটবলপ্রেমীদের মুখে মুখে। তুলনায় দেখলে, ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরির স্যান্ডর ককসিস ১১ গোল করেছিলেন। যা ফন্তেঁর পরে, দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া ১৯৭০ সালে জার্মানির জার্ড মুলার করেছিলেন ১০ গোল। ২০২২ সালে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে এবং ২০০২ সালে ব্রাজিলের রোনালদো ৮টি করে গোল করে সর্বাধিক গোলদাতা হয়েছিলেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, পেলে কিংবা ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিরাও এক আসরে ১৩ গোলের কাছাকাছি যে
ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন কিছু রেকর্ড আছে যা সময়ের সঙ্গে আরও মহিমান্বিত হয়ে ওঠে। ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপে ফ্রান্সের স্ট্রাইকার জ্যাঁ ফন্তে এক আসরে ১৩টি গোল করে যে রেকর্ড গড়েছিলেন, তা আজও অটুট। ২০২৬ সালে এসে ৬৮ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো ফুটবলার এই অসাধারণ কীর্তি ছুঁতে পারেননি।
মাত্র ৬ ম্যাচে ১৩ গোল; এই পরিসংখ্যান শুনলেই চোখ কপালে ওঠে। ফন্তে সেবার ফ্রান্সকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি এককভাবেই করেছিলেন টুর্নামেন্টের ব্যক্তিগত সর্বাধিক গোল। ফন্তের আগে কিংবা পরে- কেউ এত গোল এক আসরে করতে পারেননি। পেলের হ্যাটট্রিকে সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ৫-২ গোলে হারলেও ফন্তের ব্যক্তিগত সাফল্য আজও ফুটবলপ্রেমীদের মুখে মুখে।
তুলনায় দেখলে, ১৯৫৪ সালে হাঙ্গেরির স্যান্ডর ককসিস ১১ গোল করেছিলেন। যা ফন্তেঁর পরে, দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া ১৯৭০ সালে জার্মানির জার্ড মুলার করেছিলেন ১০ গোল। ২০২২ সালে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে এবং ২০০২ সালে ব্রাজিলের রোনালদো ৮টি করে গোল করে সর্বাধিক গোলদাতা হয়েছিলেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, পেলে কিংবা ম্যারাডোনার মতো কিংবদন্তিরাও এক আসরে ১৩ গোলের কাছাকাছি যেতে পারেননি।
আধুনিক ফুটবলে ডিফেন্স আরও শক্তিশালী, ম্যাচ সংখ্যা বেড়েছে, ফরোয়ার্ডদের সুরক্ষার নিয়মও বেড়েছে; কিন্তু ফন্তের রেকর্ড ভাঙা হয়নি। ফ্রান্সের এই কিংবদন্তির রেকর্ডটি বিশ্বকাপের সবচেয়ে উজ্জ্বল কীর্তি হয়ে আছে। ফিফা এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসও এটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন প্রজন্মের তারকারা কি এই রেকর্ড ভাঙতে পারবেন? ফুটবলপ্রেমীরা অপেক্ষায়। তবে ৬৮ বছরের এই অমর কীর্তি ভাঙা যে সহজ নয়, তা ইতিহাসই বলে দেয়। কেউ নতুন এই রেকর্ড করলেও ফন্তের নাম ফুটবলের সোনালি পাতায় চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে। জ্যাঁ ফন্তে ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮৯ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেন।
আরআই/আইএইচএস/
What's Your Reaction?