বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের দুটি ম্যাচ নিয়ে অনিয়মের সন্দেহ
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন স্পেনের দুটি ম্যাচকে ঘিরে সম্ভাব্য স্পোর্টস বেটিং অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং ফিফাও জানিয়েছে, তাদের তদন্তে সন্দেহজনক কোনো বেটিং কার্যক্রম ধরা পড়েনি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে দ্য এথলেটিক জানায়, আন্তর্জাতিক স্বাধীন সংস্থা কোপেনহেগেন গ্রুপ, যারা ক্রীড়া ইভেন্টে কারসাজি প্রতিরোধ ও শনাক্তকরণ নিয়ে কাজ করে, বিশ্বকাপের মোট সাতটি ঘটনাকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং এ বিষয়ে ফিফার কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। স্পেনের ক্ষেত্রে আলোচনায় এসেছে দুটি ঘটনা১. স্পেন বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচে পলিমার্কেট প্ল্যাটফর্মে অস্বাভাবিক হারে বাজি ধরা হয় যে স্পেন ম্যাচটি জিততে পারবে না।২. স্পেন বনাম সৌদি আরব ম্যাচে ফেরান তোরেসের গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল করতে ভিএআর-এর অস্বাভাবিক দীর্ঘ সময় নেওয়া। এই দুটি ঘটনাকে ‘ইয়েলো অ্যালার্ট’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। চার ধাপের সতর্কতা ব্যবস্থায় এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্তর। পর্যায়গুলো হলো: সবুজ (স্বাভাবিক), হলুদ (সামান্য সন্দেহ), কমলা (উচ্চ সন্দেহ) এবং লাল (সর্বোচ্চ স
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন স্পেনের দুটি ম্যাচকে ঘিরে সম্ভাব্য স্পোর্টস বেটিং অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে এখন পর্যন্ত ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং ফিফাও জানিয়েছে, তাদের তদন্তে সন্দেহজনক কোনো বেটিং কার্যক্রম ধরা পড়েনি।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে দ্য এথলেটিক জানায়, আন্তর্জাতিক স্বাধীন সংস্থা কোপেনহেগেন গ্রুপ, যারা ক্রীড়া ইভেন্টে কারসাজি প্রতিরোধ ও শনাক্তকরণ নিয়ে কাজ করে, বিশ্বকাপের মোট সাতটি ঘটনাকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং এ বিষয়ে ফিফার কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে।
স্পেনের ক্ষেত্রে আলোচনায় এসেছে দুটি ঘটনা
১. স্পেন বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচে পলিমার্কেট প্ল্যাটফর্মে অস্বাভাবিক হারে বাজি ধরা হয় যে স্পেন ম্যাচটি জিততে পারবে না।
২. স্পেন বনাম সৌদি আরব ম্যাচে ফেরান তোরেসের গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল করতে ভিএআর-এর অস্বাভাবিক দীর্ঘ সময় নেওয়া।
এই দুটি ঘটনাকে ‘ইয়েলো অ্যালার্ট’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। চার ধাপের সতর্কতা ব্যবস্থায় এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্তর। পর্যায়গুলো হলো: সবুজ (স্বাভাবিক), হলুদ (সামান্য সন্দেহ), কমলা (উচ্চ সন্দেহ) এবং লাল (সর্বোচ্চ সতর্কতা)।
কোপেনহেগেন গ্রুপের সাবেক সহযোগী ক্রিশ্চিয়ান কাল্ব সতর্ক করে বলেন, কোনো অ্যালার্ট জারি হওয়া মানেই ম্যাচ কারসাজি হয়েছে এমন নয়। তার মতে, বেটিং অডসের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, বাজারে তারল্যের ওঠানামা বা অন্যান্য স্বাভাবিক কারণেও এমন অ্যালার্ট তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে, ফিফা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো ম্যাচের ক্ষেত্রেই সন্দেহজনক বেটিং কার্যক্রম বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
স্পেনের দুটি ঘটনার পাশাপাশি আরও কয়েকটি ম্যাচেও হলুদ অ্যালার্ট জারি হয়েছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মেক্সিকো ম্যাচে থেম্বা জওয়ানের লাল কার্ড, ফোলারিন বালোগুনকে ঘিরে তার নিষেধাজ্ঞা বাতিল হওয়ার আগেই বেলজিয়ামের হয়ে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে অস্বাভাবিক বেটিং কার্যক্রম।
সব মিলিয়ে, বিষয়টি এখনো পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের পর্যায়ে রয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্পেন বা অন্য কোনো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি এবং ফিফাও এমন কোনো অনিয়ম শনাক্ত করার কথা অস্বীকার করেছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস, গোলডটকম, টিওয়াইসি স্পোর্টস
আরআর/এমএমআর
What's Your Reaction?