বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। গত এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার পর দরপতনের সুযোগে বিনিয়োগকারীদের কেনাকাটা বাড়িয়েছে। এতে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অন্যদিকে, আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৭ দশমিক ২০ ডলারে পৌঁছেছে। এইচএসবিসি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রকাশিত এক নোটে ২০২৬ ও ২০২৭ সালের জন্য স্বর্ণের গড় দামের পূর্বাভাস কমিয়েছে। ব্যাংকটি ২০২৬ সালের পূর্বাভাস ৪ হাজার ৮৬৪ ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৫৬০ ডলার এবং ২০২৭ সালের পূর্বাভাস ৫ হাজার ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৯২৫ ডলারে নামিয়েছে। অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৩৪ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬২৮ দশমিক ২২ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৫৬ দশমিক ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে। স্টোনএক্সের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট বব হ্যাবারকর্ন বলেন, ‘আগের দিনের দরপতনের পর বাজারে আবারও স্বর্ণ কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। স্বল্পমেয়াদে
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। গত এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসার পর দরপতনের সুযোগে বিনিয়োগকারীদের কেনাকাটা বাড়িয়েছে। এতে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
অন্যদিকে, আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৭ দশমিক ২০ ডলারে পৌঁছেছে।
এইচএসবিসি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রকাশিত এক নোটে ২০২৬ ও ২০২৭ সালের জন্য স্বর্ণের গড় দামের পূর্বাভাস কমিয়েছে। ব্যাংকটি ২০২৬ সালের পূর্বাভাস ৪ হাজার ৮৬৪ ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৫৬০ ডলার এবং ২০২৭ সালের পূর্বাভাস ৫ হাজার ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৯২৫ ডলারে নামিয়েছে।
অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৩৪ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬২৮ দশমিক ২২ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৫৬ দশমিক ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে।
স্টোনএক্সের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট বব হ্যাবারকর্ন বলেন, ‘আগের দিনের দরপতনের পর বাজারে আবারও স্বর্ণ কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের দামের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হলো মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার-সংক্রান্ত নীতি। ফেড যদি আরও নমনীয় নীতি গ্রহণ করে, তাহলে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়তে পারে। তবে ফেড যদি সুদের হার আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়, তাহলে এই দুই মূল্যবান ধাতুর ওপরই চাপ তৈরি হবে।’
এমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্যানুযায়ী, ব্যবসায়ীরা বর্তমানে সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির প্রায় ৬৩ শতাংশ সম্ভাবনা বিবেচনায় নিচ্ছেন।
What's Your Reaction?