বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে লাফ

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সামান্য বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। চুক্তির শর্তসমূহ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় রয়েসয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তাতে স্বর্ণ ও রুপার দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৯ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৪ দশমিক ৪৭ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ০ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৬৪ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন হয়। গত সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। ইরান যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কায় বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের দামে এমন পতন দেখা যায়। যদিও স্বর্ণকে মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে উচ্চ সুদের হার সাধারণত স্বর্ণের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তিচুক্তির তারিখ ঘোষণার পর ঘুরে দাঁড়ায় স্বর্ণের বাজার। ইতালীয় ব্যাংক ইন্টেসা সানপাওলোর অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েলা করসিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘২০২৬ সালের শে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে লাফ

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সামান্য বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। চুক্তির শর্তসমূহ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় রয়েসয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তাতে স্বর্ণ ও রুপার দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৯ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৪ দশমিক ৪৭ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ০ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৬৪ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন হয়।

গত সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। ইরান যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কায় বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের দামে এমন পতন দেখা যায়। যদিও স্বর্ণকে মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে উচ্চ সুদের হার সাধারণত স্বর্ণের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তিচুক্তির তারিখ ঘোষণার পর ঘুরে দাঁড়ায় স্বর্ণের বাজার। ইতালীয় ব্যাংক ইন্টেসা সানপাওলোর অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েলা করসিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘২০২৬ সালের শেষভাগ থেকে ২০২৭ সালের শুরুর মধ্যে স্বর্ণ ও রুপার দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যেতে পারে। আমাদের মূল পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের গড় দাম প্রতি আউন্স প্রায় ৪ হাজার ডলারে লেনদেন হতে পারে। অন্যদিকে রুপার দাম স্থিতিশীল হয়ে প্রতি আউন্স প্রায় ৬০ ডলারে থাকতে পারে।’

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭০ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছে। এ ছাড়া প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৭৮২ দশমিক ২৩ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৩৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে দেশে এখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৯৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow