বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পুলিশে দিল জনতা
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল বাতেনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয়রা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন সদর উপজেলার কড়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন। তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগের বরিশাল মহানগর শাখার সদস্য বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগের ক্ষমতার আমলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পান মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন। তখন ক্ষমতার দাপটে অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নিজ এলাকার মানুষদের হয়রানি করেন তিনি।
এর জের ধরে সোমবার দুপুরে ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে স্থানীয়রা নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবরুদ্ধ করে। এ সময় তারা ‘ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাসস্ট্যান্ড চাই’ বলে স্লোগান দিয়ে বাতেনকে মারধর করে।
মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানার ওসি মামুন উল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুরে কিছু ছাত্রসহ স্থানীয়রা বাতেনকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। পরে পুলিশ তাকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, আগেও মোহাম্মদ আব্দুল বাতেনকে একটি চুরি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জমিজমা নিয়েও ঝামেলা আছে। বর্
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল বাতেনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয়রা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন সদর উপজেলার কড়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন। তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগের বরিশাল মহানগর শাখার সদস্য বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগের ক্ষমতার আমলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পান মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন। তখন ক্ষমতার দাপটে অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নিজ এলাকার মানুষদের হয়রানি করেন তিনি।
এর জের ধরে সোমবার দুপুরে ফ্যাসিস্ট আখ্যা দিয়ে স্থানীয়রা নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবরুদ্ধ করে। এ সময় তারা ‘ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাসস্ট্যান্ড চাই’ বলে স্লোগান দিয়ে বাতেনকে মারধর করে।
মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি মডেল থানার ওসি মামুন উল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুরে কিছু ছাত্রসহ স্থানীয়রা বাতেনকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। পরে পুলিশ তাকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, আগেও মোহাম্মদ আব্দুল বাতেনকে একটি চুরি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জমিজমা নিয়েও ঝামেলা আছে। বর্তমানে তাকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।