বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, উন্নত দেশগুলোও এর বাইরে নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে আমদানি রপ্তানির তুলনায় বেশি, তাই এটি একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে সিলেটের ওসমানীনগরে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে দামের কিছু তারতম্য স্বাভাবিক। তবে এ পার্থক্য যেন অগ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না যায়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিপণ্যের দামে অগ্রহণযোগ্য ব্যবধান চিহ্নিত করতে ঈদের পর ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে। ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত এ কমিটির মাধ্যমে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য শুনানির আয়োজন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সিলেট মূলত ফসলি এলাকা। শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধার অভাব এবং কিছু কৃষিজমি পানিতে ডুবে থাকার কারণে কৃষকেরা বাড়তি ফসল উৎপাদন করতে পারেন না। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এ দুই সমস্যার সমাধান হবে এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ বিঘা জমি নতুন করে
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি বলেছেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, উন্নত দেশগুলোও এর বাইরে নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশে আমদানি রপ্তানির তুলনায় বেশি, তাই এটি একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে সিলেটের ওসমানীনগরে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে দামের কিছু তারতম্য স্বাভাবিক। তবে এ পার্থক্য যেন অগ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না যায়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ও কৃষিপণ্যের দামে অগ্রহণযোগ্য ব্যবধান চিহ্নিত করতে ঈদের পর ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে। ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত এ কমিটির মাধ্যমে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য শুনানির আয়োজন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সিলেট মূলত ফসলি এলাকা। শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধার অভাব এবং কিছু কৃষিজমি পানিতে ডুবে থাকার কারণে কৃষকেরা বাড়তি ফসল উৎপাদন করতে পারেন না। খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এ দুই সমস্যার সমাধান হবে এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ বিঘা জমি নতুন করে চাষের আওতায় আসবে। পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। ফলে খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে বর্ধিত ফসল উৎপাদন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং বৃক্ষরোপণের সুফল এ অঞ্চলের মানুষ প্রথম বছর থেকেই পেতে শুরু করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য তাহসীনা রুশদীর লুনা, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী যাবের সাদেক, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ রাজনৈতিক নেতারা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।