বিয়ে করলেই নিশ্চিত নয় গ্রিন কার্ড, স্বপ্নভঙ্গের নতুন আতঙ্ক
স্বপ্নের দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অনেকেই বেছে নেন বিয়ের পথ। মনে করা হয়, নাগরিক কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলেই কেল্লাফতে! কিন্তু বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেই কি মিলবে সেই পরম কাঙ্ক্ষিত সোনার হরিণ? উত্তরটা এখন আর আগের মতো সহজ নয়। মাঝরাতে হঠাৎ দরজায় কড়া নেড়ে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা যদি দেখেন স্বামী-স্ত্রী একই ছাদের নিচে নেই, তবে মুহূর্তেই চুরমার হয়ে যেতে পারে সব পরিকল্পনা। বিয়ের আইনি কাগজ থাকলেও কেবল একসঙ্গে না থাকার কারণে বাতিল হয়ে যাচ্ছে হাজারো গ্রিন কার্ডের স্বপ্ন। যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পাওয়ার দীর্ঘদিনের সহজ পথটি এখন কঠিনতম এক পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা-ইউএসসিআইএস এখন স্বামী-স্ত্রীর একত্রে বসবাসকে সবচেয়ে বড় শর্ত হিসেবে দেখছে। ৩০ বছরের অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবী ব্র্যাড বার্নস্টাইন জানিয়েছেন, পড়াশোনা বা কাজের অজুহাতে আলাদা থাকলেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তা মানছেন না। তাদের কাছে এখন প্রধান প্রশ্ন— দম্পতিরা প্রকৃত অর্থে দাম্পত্য জীবন যাপন করছেন কি না। কড়াকড়ির এখানেই শেষ নয়; গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ কমিয়ে মাত্র ১৮
স্বপ্নের দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অনেকেই বেছে নেন বিয়ের পথ। মনে করা হয়, নাগরিক কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলেই কেল্লাফতে! কিন্তু বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেই কি মিলবে সেই পরম কাঙ্ক্ষিত সোনার হরিণ? উত্তরটা এখন আর আগের মতো সহজ নয়।
মাঝরাতে হঠাৎ দরজায় কড়া নেড়ে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা যদি দেখেন স্বামী-স্ত্রী একই ছাদের নিচে নেই, তবে মুহূর্তেই চুরমার হয়ে যেতে পারে সব পরিকল্পনা।
বিয়ের আইনি কাগজ থাকলেও কেবল একসঙ্গে না থাকার কারণে বাতিল হয়ে যাচ্ছে হাজারো গ্রিন কার্ডের স্বপ্ন। যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পাওয়ার দীর্ঘদিনের সহজ পথটি এখন কঠিনতম এক পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে দেশটির নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা-ইউএসসিআইএস এখন স্বামী-স্ত্রীর একত্রে বসবাসকে সবচেয়ে বড় শর্ত হিসেবে দেখছে।
৩০ বছরের অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবী ব্র্যাড বার্নস্টাইন জানিয়েছেন, পড়াশোনা বা কাজের অজুহাতে আলাদা থাকলেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তা মানছেন না। তাদের কাছে এখন প্রধান প্রশ্ন— দম্পতিরা প্রকৃত অর্থে দাম্পত্য জীবন যাপন করছেন কি না। কড়াকড়ির এখানেই শেষ নয়; গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ কমিয়ে মাত্র ১৮ মাস করা হয়েছে।
এছাড়া নিরাপত্তার অজুহাতে ১৯টি উদ্বেগজনক দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ড পুনরায় পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন খোদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত ডিভি লটারিও।
বর্তমানে কেবল আইনি বিয়ে নয়, বরং সম্পর্কের গভীরতা প্রমাণ করতে না পারলে গ্রিন কার্ড পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আবেদন করার আগে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
What's Your Reaction?