বিয়ের অনুষ্ঠানে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বিয়ের অনুষ্ঠানে ছবি তোলা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।  শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে পৌর শহরের উত্তর দৌলতপুরের গরুহাট্টা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  আহতরা হলেন— পৌর শহরের গরুহাট্টা এলাকার লাকী আক্তার (৩৪), আরমান (২০), রিনা আক্তার (৪০), নাদিম মিয়া (৩৫), আপন মিয়া (২০), সাজিয়া আক্তার (৩৫), সুমন মিয়া (৪০) ও মিনা আক্তার (৫০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে গরুহাট্টা এলাকায় রমজান মিয়ার ছোট বোনের বিয়ে অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠানে মোবাইলে ছবি তোলা নিয়ে একই এলাকার হেলাল মিয়ার ছেলে হাসান মিয়া ও আলাল উদ্দিনের ছেলে শান্ত মিয়ার মধ্যে কথাকাটাকাটির মধ্যে একপর্যায়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। তাদের মধ্যে আটজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন কালবেলাকে বলেন, ওই বিষয়ে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথায

বিয়ের অনুষ্ঠানে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বিয়ের অনুষ্ঠানে ছবি তোলা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।  শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে পৌর শহরের উত্তর দৌলতপুরের গরুহাট্টা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  আহতরা হলেন— পৌর শহরের গরুহাট্টা এলাকার লাকী আক্তার (৩৪), আরমান (২০), রিনা আক্তার (৪০), নাদিম মিয়া (৩৫), আপন মিয়া (২০), সাজিয়া আক্তার (৩৫), সুমন মিয়া (৪০) ও মিনা আক্তার (৫০)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে গরুহাট্টা এলাকায় রমজান মিয়ার ছোট বোনের বিয়ে অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠানে মোবাইলে ছবি তোলা নিয়ে একই এলাকার হেলাল মিয়ার ছেলে হাসান মিয়া ও আলাল উদ্দিনের ছেলে শান্ত মিয়ার মধ্যে কথাকাটাকাটির মধ্যে একপর্যায়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। তাদের মধ্যে আটজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন কালবেলাকে বলেন, ওই বিষয়ে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow