বিয়ের আগে সঠিক জীবনসঙ্গী কীভাবে খুঁজে নেবেন

জীবনে সঠিক লাইফ পার্টনার নির্বাচন করা অত্যন্ত কঠিন, একই সঙ্গে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ সঠিক সঙ্গীর ওপর নির্ভর করে আপনার বৈবাহিক জীবন কতটা সুখী ও শান্তিপূর্ণ হবে। অনেক সময় নানা পরিস্থিতি বা চাপের কারণে আমরা তাড়াহুড়া করে জীবনসঙ্গী বেছে নেই, ফলে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। এই বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সঠিক পার্টনার না বেছে নেওয়া উভয়ই জীবনে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এমন পরিস্থিতি এমনকি চিরস্থায়ী প্রভাবও ফেলতে পারে। পরবর্তীতে বুঝলেও ফিরে যাওয়ার সুযোগ অনেক সময় আর থাকে না। তাই সঙ্গী বাছাইয়ের আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। সেগুলো কী কী? চলুন জেনে নেওয়া যাক- নিজেকে চেনা সবার আগে নিজেকে ভালোভাবে চেনা জরুরি। কারো সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার আগে নিজেকে ভালোভাবে বোঝা উচিত-জীবনে কোন বিষয়গুলো আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কোন বিষয়গুলোতে আপস করা যায় আর কোনটিতে নয়। নিজের অগ্রাধিকার ও সীমা জানলে সঙ্গী বাছাই অনেক সহজ হয়ে যায়। কী চান এবং কী চান না বোঝা থাকলে জীবনের পথও স্পষ্ট ও সহজ হয়। নিজের অ্যাটাচমেন্ট স্টাইল বোঝাচার ধরনের অ্যাটাচমেন্ট স্টাইল আছে-সিকিউর, উদ্বিগ্ন, এড়িয়ে যাওয়া এবং ডিসঅরগানাইজড। স

বিয়ের আগে সঠিক জীবনসঙ্গী কীভাবে খুঁজে নেবেন

জীবনে সঠিক লাইফ পার্টনার নির্বাচন করা অত্যন্ত কঠিন, একই সঙ্গে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ সঠিক সঙ্গীর ওপর নির্ভর করে আপনার বৈবাহিক জীবন কতটা সুখী ও শান্তিপূর্ণ হবে। অনেক সময় নানা পরিস্থিতি বা চাপের কারণে আমরা তাড়াহুড়া করে জীবনসঙ্গী বেছে নেই, ফলে নানা সমস্যায় পড়তে হয়।

এই বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সঠিক পার্টনার না বেছে নেওয়া উভয়ই জীবনে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এমন পরিস্থিতি এমনকি চিরস্থায়ী প্রভাবও ফেলতে পারে। পরবর্তীতে বুঝলেও ফিরে যাওয়ার সুযোগ অনেক সময় আর থাকে না।

তাই সঙ্গী বাছাইয়ের আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। সেগুলো কী কী? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

dsew

নিজেকে চেনা
সবার আগে নিজেকে ভালোভাবে চেনা জরুরি। কারো সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার আগে নিজেকে ভালোভাবে বোঝা উচিত-জীবনে কোন বিষয়গুলো আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কোন বিষয়গুলোতে আপস করা যায় আর কোনটিতে নয়। নিজের অগ্রাধিকার ও সীমা জানলে সঙ্গী বাছাই অনেক সহজ হয়ে যায়। কী চান এবং কী চান না বোঝা থাকলে জীবনের পথও স্পষ্ট ও সহজ হয়।

নিজের অ্যাটাচমেন্ট স্টাইল বোঝা
চার ধরনের অ্যাটাচমেন্ট স্টাইল আছে-সিকিউর, উদ্বিগ্ন, এড়িয়ে যাওয়া এবং ডিসঅরগানাইজড। সিকিউর স্টাইলে মানুষ খোলাখুলি মিশতে পারে এবং সম্পর্ককে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে সক্ষম। উদ্বিগ্ন স্টাইলে নিরাপত্তাহীনতা অনুভূত হয়, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার ভয় কাজ করে। এড়িয়ে যাওয়া স্টাইলে মানুষ সমস্যা এড়িয়ে চলার প্রবণতা রাখে। ডিসঅরগানাইজড স্টাইলে অতীতের তিক্ত স্মৃতি নতুন সম্পর্কেও প্রভাব ফেলে; মানুষ সঙ্গীর কাছ থেকে দূরে থাকেন এবং অতীতের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে চান। তাই প্রথমে নিজের অ্যাটাচমেন্ট স্টাইল বোঝা জরুরি, তারপর সেই অনুযায়ী পার্টনার নির্বাচন করুন।

ঝগড়া হলে কী করেন
ঝগড়ার সময় সঙ্গীর প্রতিক্রিয়া কেমন, তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু নিজের অনুভূতি ও মানসিক অবস্থার পরিচয় দেয় না, বরং নির্দেশ করে আপনি সম্পর্কের কোন ধরনের পরিবেশে সবচেয়ে আরামদায়ক ও নিরাপদ বোধ করবেন। এতে আপনি ভবিষ্যতে স্থায়ী ও সুস্থ সম্পর্ক গড়ার দিকে আরও সচেতনভাবে এগোতে পারবেন।

dse

আজীবন সে একইভাবে পাশে থাকে কি-না যাচাই করতে হবে
কোনো মানুষই সম্পূর্ণ নিখুঁত নয়। যদি কেউ তার মনের মতো সম্পূর্ণ পারফেক্ট মানুষ পেয়ে থাকে, তবে সে নিঃসন্দেহে ভাগ্যবান। জীবনসঙ্গী বাছাই করার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দেখা, সেই মানুষ কি সারাজীবন আপনার পাশে থাকবে কি না। তার মনোভাব কেমন, সে আপনাকে কতটা বোঝে এবং আপনি তাকে কতটা বোঝেন-এই বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। সম্পর্কের মধ্যে বোধশক্তি ও সমঝোতা না থাকলে, কোনো সম্পর্কই দীর্ঘমেয়াদে শান্তিপূর্ণ ও সুস্থ থাকতে পারে না।

ব্যক্তির মধ্যে আরও যেসব বিষয় দেখবেন-
সঙ্গীর বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখার বদলে তার অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যের দিকে নজর দিন। সে মানুষের সঙ্গে কীভাবে মেশে, আপনাকে ইমোশনালি সাপোর্ট করে কি না, কোনো পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেয়, সেগুলো দেখে নিন। পাশাপাশি সম্পর্কে যাওয়ার আগেই দুজনের চাওয়া-পাওয়াগুলো নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করুন। আগামী দিনে সঙ্গীর সঙ্গে নিজেকে কীভাবে দেখতে চান, সেটাও ভাববেন।

সূত্র: ম্যারেজ ডটকম, ভেরিওয়েল মাইন্ড, হিন্দুস্তান টাইমস

আরও পড়ুন:
কাফিং সিজনের প্রেম, কেন শীত শেষ হতেই সম্পর্ক ফিকে হয়ে যায় 
শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে অনুভূতি, বিয়েতে বেনারসির বাইরে যা পরবেন 

এসএকেওয়াই/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow