বিয়ের লোভ দেখিয়ে ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ, জামিন পেলেন নোবেল
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর কাছ থেকে ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা আত্মসাৎ করেছেন সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। এমন অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিনি জামিন পেয়ছেন। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত ৫ হাজার টাকার মুচলেকায় ওই জামিনের আদেশ দেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. ইমরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, নোবেল আনাননিয়া শবনম রোজ নামের এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে বিয়ের প্রলোভন দেখান। এই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ওই নারীর কাছ থেকে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে তা ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। মামলাটি ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে দায়ের হলে বিচারক পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ৭ জানুয়ারি পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন, যেখানে বাদীর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। এর আগে, নোবেল ‘ধর্ষণ ও মারধরের’ অভিযোগে ২০২৫ সালের ১৯ মে ডেমরা থানার একটি মামলায় গ্রেফতার
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর কাছ থেকে ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা আত্মসাৎ করেছেন সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। এমন অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তিনি জামিন পেয়ছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত ৫ হাজার টাকার মুচলেকায় ওই জামিনের আদেশ দেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. ইমরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, নোবেল আনাননিয়া শবনম রোজ নামের এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে বিয়ের প্রলোভন দেখান। এই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ওই নারীর কাছ থেকে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে তা ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।
মামলাটি ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে দায়ের হলে বিচারক পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ৭ জানুয়ারি পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন, যেখানে বাদীর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে।
এর আগে, নোবেল ‘ধর্ষণ ও মারধরের’ অভিযোগে ২০২৫ সালের ১৯ মে ডেমরা থানার একটি মামলায় গ্রেফতার হন। ওই মামলার বাদীকে কারাগারে বিয়ে করার পাঁচ দিন পর, ২৪ জুন তিনি জামিন পান।
রোববারের শুনানিতে আদালত মামলার সব প্রমাণ-দলিল এবং বাদীর জবানবন্দি বিবেচনা করে জামিন মঞ্জুর করেন।
এমডিএএ/এলআইএ
What's Your Reaction?