বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম শোয়াইব ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন
বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া জয়পুরহাটের গর্ব শোয়াইবকে চোখের জলে বিদায় জানালো এলাকাবাসী, বন্ধু বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীরা। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন শোয়াইব আহমেদ। বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে ভর্তিও হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে অবশেষে হেরে গেলেন তিনি।শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এভার কেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেন এই মেধাবী শিক্ষার্থী (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহি রাজিউন)।শনিবার (১০ জানুয়ারি) জোহরের নামাজ শেষে নিজ এলাকা জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে (হরেন্দা গ্রাম) তার নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় বন্ধু বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনরা চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। শোয়াইবের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ২০১৫ সালে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলেন শোয়াইব আহমেদ। এতে হাজারো শিক্ষার্থীকে পেছনে ফেলে প্রথম হয়েছিলে
বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া জয়পুরহাটের গর্ব শোয়াইবকে চোখের জলে বিদায় জানালো এলাকাবাসী, বন্ধু বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীরা। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন শোয়াইব আহমেদ। বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে ভর্তিও হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন টিউমারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করে অবশেষে হেরে গেলেন তিনি।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এভার কেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেন এই মেধাবী শিক্ষার্থী (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহি রাজিউন)।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) জোহরের নামাজ শেষে নিজ এলাকা জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে (হরেন্দা গ্রাম) তার নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় বন্ধু বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনরা চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। শোয়াইবের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ২০১৫ সালে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিলেন শোয়াইব আহমেদ। এতে হাজারো শিক্ষার্থীকে পেছনে ফেলে প্রথম হয়েছিলেন তিনি। এরপর ইইই বিভাগে ভর্তি হন।
বিবৃতিতে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, “শোয়াইব আমাদের অনেকের কাছেই ছিলেন এক বিশাল অনুপ্রেরণা। ২০১৫ সালে বুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় তিনি সারা দেশে প্রথম হয়েছিলেন। পেপারে আর পোস্টারে তার নাম দেখে আমাদের মতো অনেক জুনিয়র বুয়েটে পড়ার স্বপ্ন দেখেছিল। ১৫০৬০০১-এই আইডিটা আমাদের কাছে শুধু একটি নম্বর নয়, মেধার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ছিল।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “দীর্ঘদিন ধরে ভাই ব্রেন টিউমারের মতো কঠিন রোগের সাথে যুদ্ধ করছিলেন। এভার কেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থেকে অনেক কষ্ট সহ্য করে তিনি বিদায় নিলেন। যিনি মেধার যুদ্ধে হাজারো শিক্ষার্থীকে পেছনে ফেলে প্রথম হয়েছিলেন, আজ মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে। এত বড় অর্জনের পরেও ভাই ছিলেন অসম্ভব বিনয়ী ও শান্ত। আমাদের সেই শান্ত ভাইটি আজ চিরদিনের জন্য শান্ত হয়ে গেলেন।”
তার মৃত্যু সংবাদে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। অবশেষে বন্ধু বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনদের চোখের জলে শনিবার দুপুরে জানাজার মাধ্যমে শেষ বিদায় নিলেন শোয়াইব।
What's Your Reaction?