বৃত্তি পরীক্ষার ফল পেতে অপেক্ষা বাড়ছে সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থীর

কয়েক দফা পিছিয়ে গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হয় ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। মে মাসের শুরুর দিকে এ পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ করতে না পারায় তা সম্ভব হয়নি। এরপর ঈদের ছুটির আগে এবং পরবর্তীতে ঈদের ছুটির পরপরই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ঈদের ছুটি শেষ হলেও ফল প্রকাশের কাজে অগ্রগতি নেই। ফলে কবে নাগাদ বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা তা জানাতে পারছেন না অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এতে অপেক্ষা বাড়ছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থীর। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, আগামী ১০ জুনের মধ্যে খাতা মূল্যায়নসহ সব কার্যক্রম শেষ হতে পারে। এরপর বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানানো হতে পারে। অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সংস্থাপন) এ এস এম সিরাজুদ্দোহা বলেন, আমরা এখনো ফল প্রস্তুতের কাজ শেষ করতে পারিনি। এ কার্যক্রম চলমান। আগামী ১০ জুনের পর বলা যাবে যে, কবে নাগাদ বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হতে পারে। অধিদপ্তর সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার মাস পর গত ১৫ এপ্রিল প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপর

বৃত্তি পরীক্ষার ফল পেতে অপেক্ষা বাড়ছে সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থীর

কয়েক দফা পিছিয়ে গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হয় ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। মে মাসের শুরুর দিকে এ পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ করতে না পারায় তা সম্ভব হয়নি।

এরপর ঈদের ছুটির আগে এবং পরবর্তীতে ঈদের ছুটির পরপরই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ঈদের ছুটি শেষ হলেও ফল প্রকাশের কাজে অগ্রগতি নেই।

ফলে কবে নাগাদ বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা তা জানাতে পারছেন না অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এতে অপেক্ষা বাড়ছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ শিক্ষার্থীর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, আগামী ১০ জুনের মধ্যে খাতা মূল্যায়নসহ সব কার্যক্রম শেষ হতে পারে। এরপর বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানানো হতে পারে।

অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সংস্থাপন) এ এস এম সিরাজুদ্দোহা বলেন, আমরা এখনো ফল প্রস্তুতের কাজ শেষ করতে পারিনি। এ কার্যক্রম চলমান। আগামী ১০ জুনের পর বলা যাবে যে, কবে নাগাদ বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হতে পারে।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার মাস পর গত ১৫ এপ্রিল প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়। ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ হয় এবারের পরীক্ষা।

এতে অংশ নেয় ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (কিন্ডারগার্টেন) প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে।

এবার মেধা ও জেলা-উপজেলাভিত্তিক কোটায় মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এরমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৬ হাজার এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তির আওতায় আসবে।

শিক্ষার্থীদের দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) বৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী এবং সাধারণ কোটায় বৃত্তি পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ জন।

ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা করে পাবে। এ ছাড়া উভয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে আর্থিক সুবিধা পাবে। পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী দুই বছর তারা এ সুবিধা ভোগ করবে।

এএএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow