বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে হাওরের ২ হাজার বিঘা জমির ধান
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে কয়েকটি হাওরে বৃষ্টি ও নদীর পানিতে প্রায় ২ হাজার ২০০ বিঘা বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। ফলে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। এদিকে উপজেলার বাতাসর ও বালি হাওরেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে, সেখানে আরও প্রায় ৭ হাজার বিঘা জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে করে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) রাত পর্যন্ত বৃষ্টির পানি বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের রত্না নদীতে প্রবেশ করে। পরে নদী উপচে পানি বানিয়াচংয়ের উগলী হাওরে ঢুকলে এসব জমি তলিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন ইকরাম গ্রাম এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে খোয়াই নদী ও রত্না নদীর বাঁধ উপচে বানিয়াচংয়ের উগলী, বাতাসর ও বালি হাওরে পানি ঢুকছে। উগলী হাওরে কয়েকশ কৃষকের ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির ধান তলিয়ে যায়। ইকরাম গ্রামের বরগাচাষি সিজিল মিয়া জানান, তার ৩০ বিঘা ধানের জমি তলিয়ে গেছে৷ একই গ্রামের উজ্জ্বল মিয়ার ৩৫ বিঘা, সাজিদ মিয়ার ১০ বিঘা, আকল মিয়ার ১২০ বিঘা, আদম আলীর ১০ বিঘা ও আউয়াল মিয়ার ৫ বিঘা জমি তলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি এভাবে বাড়তে থাকলে বাতাসর ও বালি হাওরের আরও বিস্তীর্ণ এ
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে কয়েকটি হাওরে বৃষ্টি ও নদীর পানিতে প্রায় ২ হাজার ২০০ বিঘা বোরো ধানের জমি তলিয়ে গেছে। ফলে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
এদিকে উপজেলার বাতাসর ও বালি হাওরেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে, সেখানে আরও প্রায় ৭ হাজার বিঘা জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে করে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাত পর্যন্ত বৃষ্টির পানি বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের রত্না নদীতে প্রবেশ করে। পরে নদী উপচে পানি বানিয়াচংয়ের উগলী হাওরে ঢুকলে এসব জমি তলিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন ইকরাম গ্রাম এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে খোয়াই নদী ও রত্না নদীর বাঁধ উপচে বানিয়াচংয়ের উগলী, বাতাসর ও বালি হাওরে পানি ঢুকছে। উগলী হাওরে কয়েকশ কৃষকের ২ হাজার ২০০ বিঘা জমির ধান তলিয়ে যায়।
ইকরাম গ্রামের বরগাচাষি সিজিল মিয়া জানান, তার ৩০ বিঘা ধানের জমি তলিয়ে গেছে৷ একই গ্রামের উজ্জ্বল মিয়ার ৩৫ বিঘা, সাজিদ মিয়ার ১০ বিঘা, আকল মিয়ার ১২০ বিঘা, আদম আলীর ১০ বিঘা ও আউয়াল মিয়ার ৫ বিঘা জমি তলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি এভাবে বাড়তে থাকলে বাতাসর ও বালি হাওরের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে জানিয়েছেন এলাকাবাসী৷
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, ধানের শীষ বের হওয়ার এ পর্যায়ে ধানক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় ফসল ঘরে তোলার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। এতে তারা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন।
সুজাতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান কালবেলাকে বলেন, এক সপ্তাহ ধরে বাঁধ উপচে বানিয়াচংয়ের উগলী, বাতাসর ও বালি হাওরে পানি ঢুকছে। এতে অনেক কৃষকের ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় তারা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পানি এভাবে বাড়তে থাকলে বাতাসর ও বালি হাওরের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।
বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম সাথী কালবেলাকে বলেন, ধান তলিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?