বেইজিংয়ে বৈঠক করছেন শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়েছে বেইজিংয়ে। এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বেইজিংয়ে স্বাগত জানান চীনা নেতা শি জিনপিং। রুশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বৈঠকের আগে গ্রেট হল অফ দ্য পিপলের বাইরে দুই নেতা করমর্দন করেন। এরপর পুতিনকে অভ্যর্থনা জানাতে বিছিয়ে রাখা লাল গালিচা ধরে পাশাপাশি হেঁটে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রবেশ করেন শি ও পুতিন। এ সময় সামরিক ব্যান্ডে চীন ও রাশিয়ার জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের উদ্দেশ্য ২০০১ সালের গুড-নেইবারলিনেস অ্যান্ড ফ্রেন্ডলি কোঅপারেশন চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন হলেও বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের ঠিক পরপরই পুতিনের বেইজিং যাত্রা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প-শি বৈঠকে তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় রাশিয়া আশ্বস্ত হয়েছে যে চীন এখনো মস্কোর কৌশলগত অংশীদারত্ব থেকে সরে আসছে না। বিশ্লেষকদের মতে, এই সময়োপযোগী সফরের মাধ্যমে বেইজিং দেখাতে চাইছে যে

বেইজিংয়ে বৈঠক করছেন শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়েছে বেইজিংয়ে। এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বেইজিংয়ে স্বাগত জানান চীনা নেতা শি জিনপিং।

রুশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বৈঠকের আগে গ্রেট হল অফ দ্য পিপলের বাইরে দুই নেতা করমর্দন করেন।

এরপর পুতিনকে অভ্যর্থনা জানাতে বিছিয়ে রাখা লাল গালিচা ধরে পাশাপাশি হেঁটে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রবেশ করেন শি ও পুতিন।

এ সময় সামরিক ব্যান্ডে চীন ও রাশিয়ার জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের উদ্দেশ্য ২০০১ সালের গুড-নেইবারলিনেস অ্যান্ড ফ্রেন্ডলি কোঅপারেশন চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন হলেও বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি।

বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের ঠিক পরপরই পুতিনের বেইজিং যাত্রা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প-শি বৈঠকে তাইওয়ান ও ইরান যুদ্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় রাশিয়া আশ্বস্ত হয়েছে যে চীন এখনো মস্কোর কৌশলগত অংশীদারত্ব থেকে সরে আসছে না।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সময়োপযোগী সফরের মাধ্যমে বেইজিং দেখাতে চাইছে যে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর সঙ্গেও সমানতালে সম্পর্ক বজায় রেখে চীন এখন বৈশ্বিক কূটনীতির কেন্দ্রীয় খেলোয়াড় হয়ে উঠেছে।

লন্ডনের কিংস কলেজের গবেষক মারিনা মিরন বলেন, এই সফরে বড় কোনো নাটকীয় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, বরং রাশিয়া-চীনের বিদ্যমান কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

তার মতে, দুই দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সামরিক প্রযুক্তি বিনিময় ও জ্বালানি খাতে যৌথ প্রকল্প এগিয়ে নেবে। বিশেষ করে চীন রাশিয়ার জ্বালানি কম দামে পেতে আগ্রহী, আর রাশিয়া ড্রোন উৎপাদনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে।

চ্যাথাম হাউজের বিশ্লেষক টিমোথি অ্যাশ বলেন, এই বৈঠক শি জিনপিংয়ের চেয়ে পুতিনের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়া এখন অনেকটাই চীনের ওপর নির্ভরশীল জুনিয়র পার্টনারে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow