বেগম খালেদা জিয়া আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ : আসাদুজ্জামান

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‎বেগম খালেদা জিয়া আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষ। আমরা গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্নের ধারক ও বাহক। তার সেই স্বপ্নের পতাকা হাতে নিয়েই আমরা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে, মাঠে-ঘাটে নিরলসভাবে হেঁটে চলেছি। শনিবার (৩ জানুয়ারি) শৈলকুপায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত শোকসভায় এসব কথা বলেন তিনি। অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রত্যাশা ছিল, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া বিজয়ের মুকুট পরবে। তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা করবেন।   বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেমের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় দুই নেত্রীকে প্রস্তাব দেওয়া হলো, আপনারা দেশ ছেড়ে চলে যান। আপনাদের কোনো ক্ষতি করা হবে না। শেখ হাসিনা রাজি হয়ে গেল। কিন্তু দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকে খালেদা জিয়া সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্য

বেগম খালেদা জিয়া আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ : আসাদুজ্জামান

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‎বেগম খালেদা জিয়া আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষ। আমরা গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্নের ধারক ও বাহক। তার সেই স্বপ্নের পতাকা হাতে নিয়েই আমরা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে, মাঠে-ঘাটে নিরলসভাবে হেঁটে চলেছি।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) শৈলকুপায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত শোকসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রত্যাশা ছিল, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া বিজয়ের মুকুট পরবে। তিনি আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা করবেন।  

বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেমের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় দুই নেত্রীকে প্রস্তাব দেওয়া হলো, আপনারা দেশ ছেড়ে চলে যান। আপনাদের কোনো ক্ষতি করা হবে না। শেখ হাসিনা রাজি হয়ে গেল। কিন্তু দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা থেকে খালেদা জিয়া সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। লাখো সন্তানকে ছেড়ে তিনি দেশত্যাগ করেননি, এটাই প্রমাণ করে খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী ও সত্যিকারের দেশপ্রেমিক।

‎শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন- কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক ও জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ওসমান আলী বিশ্বাস, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম হিটু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, সহসভাপতি খলিলুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি আবু তালেব মিয়া, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা ঠান্ডু, পৌর বিএনপির সহসভাপতি মিজানুর রহমান বাবলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবলু মোল্লা, রাকিবুল হাসান খান দিপু, শ্রমিক নেতা কেরামত আলী। 

‎অনুষ্ঠানে উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত থেকে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow