বৈশাখী টিভির নতুন ধারাবাহিক ‘কিচেন পলিটিক্স’
দীর্ঘ ১৬ বছর বিরতির পর আবারও নাটক লেখায় ফিরে এলেন এক সময়ের আলোচিত নাট্যকার অনিকেত। বৈশাখী টিভির জন্য লেখা এ নাটকটির নাম ‘কিচেন পলিটিক্স’। বৈশাখী টেলিভিশনের নিজস্ব প্রযোজনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন সাঈদ রিংকু। বৈশাখী টিভির ডেপুটি হেড অব প্রোগ্রাম লিটু সোলায়মানের ব্যবস্থাপনায় নাটকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, মাসুম বাসার, মিলি বাসার, নাবিলা ইসলাম, জয়রাজ, একে আজাদ সেতু, পূর্ণিমা বৃষ্টি, দোলন দে, তানহা ইয়াসমিন, সাদিয়া তানজিম, শিবলী নোমান, ঈষিকা সাকিন, মীর নওফেল আশরাফী জিসান, মিলু চৌধুরী, মোস্তফা রতন, নাসরিন অনু,শাহজাদা সম্রাটসহ আরো অনেকে। ৪ এপ্রিল (শনিবার) থেকে বৈশাখী টিভিতে সপ্তাহে তিন দিন শনি, রবি ও সোমবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি। অনিকেত আমেরিকা থেকে ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা শেষ করে ক্রিয়েটিভ রাইটিংয়ের উপর পড়ালেখা করে ২০০১ সালে বাংলাদেশে ফিরে টেলিভিশনে নাটক লেখা শুরু করেন । তার লেখা প্রথম সিঙ্গেল নাটক ‘মন কি যে চায়’। প্রথম নাটক দিযেই তিনি মিডিযায় একজন নতুন ধারার নাট্যকার হি
দীর্ঘ ১৬ বছর বিরতির পর আবারও নাটক লেখায় ফিরে এলেন এক সময়ের আলোচিত নাট্যকার অনিকেত। বৈশাখী টিভির জন্য লেখা এ নাটকটির নাম ‘কিচেন পলিটিক্স’। বৈশাখী টেলিভিশনের নিজস্ব প্রযোজনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন সাঈদ রিংকু। বৈশাখী টিভির ডেপুটি হেড অব প্রোগ্রাম লিটু সোলায়মানের ব্যবস্থাপনায় নাটকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, মাসুম বাসার, মিলি বাসার, নাবিলা ইসলাম, জয়রাজ, একে আজাদ সেতু, পূর্ণিমা বৃষ্টি, দোলন দে, তানহা ইয়াসমিন, সাদিয়া তানজিম, শিবলী নোমান, ঈষিকা সাকিন, মীর নওফেল আশরাফী জিসান, মিলু চৌধুরী, মোস্তফা রতন, নাসরিন অনু,শাহজাদা সম্রাটসহ আরো অনেকে। ৪ এপ্রিল (শনিবার) থেকে বৈশাখী টিভিতে সপ্তাহে তিন দিন শনি, রবি ও সোমবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি।
অনিকেত আমেরিকা থেকে ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা শেষ করে ক্রিয়েটিভ রাইটিংয়ের উপর পড়ালেখা করে ২০০১ সালে বাংলাদেশে ফিরে টেলিভিশনে নাটক লেখা শুরু করেন । তার লেখা প্রথম সিঙ্গেল নাটক ‘মন কি যে চায়’। প্রথম নাটক দিযেই তিনি মিডিযায় একজন নতুন ধারার নাট্যকার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এরপর থেকেই তিনি একের পর এক সিঙ্গেল নাটক, টেলিফিল্ম এবং ধারাবাহিক লিখতে থাকেন। ২০০১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি অসংখ্য নাটক রচনা করেন। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা একক নাটকগুলো হলো- 'মন কি যে চায়', 'অধরিক', 'ট্রায়াঙ্গেল', 'জলজ্যোৎস্না', 'আমি রবো নিরবে', 'ট্রুলি ডিপলি মেডলি', 'ট্রানজিশন গার্ল', 'ফান উইথ ম্যাডাম ইংগা', 'সুনিশ্চিত সীমান্তে', 'পথে যেতে যেতে', 'লাইফ', 'ফ্রেন্ডশিপ', 'দি ইনফরমেশন', 'প্রথম প্রহর' উল্লেখযোগ্য। অনিকেতের লেখা জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটকগুলোর মধ্যে- 'প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর', 'সোসাইটি', 'হাই টেনশন', 'কাছে দূরে', 'স্বপ্নচুরা', 'মনকরা', 'রান', 'দি বীচ ক্লাব' অন্যতম।
২০১০ সালে মডেল কাম প্রেজেন্টার আসিন জাহানকে বিয়ে করে নাটক লেখা বন্ধ করে ব্যবসা শুরু করেন অনিকেত। সেভাবেই চলছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ ১৬ বছর বিরতির পর প্রিয়-সহধর্মিনীর অনুপ্রেরণাতেই আবার নাটক লেখা শুরু করলেন। স্ত্রী আসিন জাহানের কথায় ‘তার মতো মেধাবী রাইটারের মৃত্যু হোক তা আমি চাই না।’
নাটকের গল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে নাট্যকার অনিকেত বলেন, 'একটি একান্নবর্তী পরবিারকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে কিচেন পলিটিক্স নাটকের কাহিনী। এটি মূলত একটি সামাজিক স্যাটায়ার গল্প। গল্পের বাবা একজন আদর্শবান রিটায়ার্ড সরকারি কর্মকর্তা। তার তিন ছেলে, স্ত্রী এবং দুই ছেলের বউকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। ছোট ছেলে অবিবাহিত। তার মেয়ে মুন্নি তার স্বামীর বাড়িতে থাকে। মুন্নির সাথে তার মায়ের খুব ভাব, মুন্নি যা বলে তার মা তা-ই করে। মুন্নি ফোন করে এবং বাড়িতে এসে তার তিন ভাই এবং ভাইয়ের বউদের বিরুদ্ধে মায়ের কান ভারি করে। মাকে সবসময় সে বুদ্ধি দেয় মা যেন তার ছেলের বউদের পিছে লেগে থাকে এবং সবসময় বউদের দোষ ধরে যাতে করে সংসারে সবসময় অশান্তি লেগে থাকে। বড় ছেলে ব্যবসা করে এবং তার বউ একজন গৃহবধু ,যেহেতু তার স্ত্রী সবসময় ঘরেই থাকে তাই মুন্নি ও মা-এর মানসিক চাপগুলো তাকেই বেশি সহ্য করতে হয়। মেজো ছেলে ও তার বউ কর্পোরেট জব করে। তাদের অফিসে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় আর ঘরে ফিরলে মা আর মুন্নির জ্বালা হজম করতে হয়। ছোট ছেলে বেকার। সে তার চেয়ে বয়সে বড় বিবাহিত একটি মহিলার সাথে প্রেম করে। তার স্বামী অসুস্থ এবং প্রচুর ধনসম্পদের মালিক। এদিকে মুন্নি তার স্বামীকে বুদ্ধি দেয় ভেজাল-এর ব্যবসা করতে । সে বলে ভেজাল-এর ব্যবসা করলে খুব তাড়াতাড়ি বড়লোক হওয়া যায়। মুন্নি স্বামীকে তার বাসা থেকে বের করে নিয়ে এসে অন্য এলাকায় আলাদা ফ্লাটে থাকে। মুন্নি চায় না তার স্বামী তার বাবা মায়ের সাথে কখনও দেখা করুক। মুন্নির এসব আচরণ তার স্বামি একেবারেই পছন্দ করে না, কিন্তু মুখ ফুটে সে কখনই কিছু বলে না। মুন্নি তার নিজের সংসারেও অশান্তি সৃষ্টি করে এবং তার বাবার বাড়িতেও অশান্তি সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে সবাই মিলে মুন্নির বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মুন্নি তার মায়ের মাধ্যমে নানা রকম চালবাজী চালিয়ে যেতে থাকে। এভাবেই এগিয়ে যেতে থাকে কিচেন পলিটিক্স নাটকের কাহিনি।'
অনিকেত আরও বলেন, 'নাটকটি যেহেতু সোস্যাল স্যাটায়ার সেহেতু নাটকের প্রতিটা পর্বে থাকবে নতুন নতুন টুইস্ট এবং টানাপোড়েন, নানা হাস্যরসের মাধ্যমেই উপস্থাপন করা হবে সেগুলো। নাটকটি যে দর্শকদের কাছে ভালো লাগবে সে ব্যাপারে আমি একশ ভাগ নিশ্চিত।'
What's Your Reaction?