বৈশ্বিক সংকটে বাড়তে পারে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি

২০২৬ সালের মার্চ মাসে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি প্রত্যাশার চেয়ে কম হলেও ভবিষ্যতে তা আবার বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে ইয়েস সিকিউরিটিজ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়, যা প্রত্যাশার চেয়ে কম। এর প্রধান কারণ ছিল আমদানি কমে যাওয়া এবং রপ্তানিতে সাময়িক উন্নতি। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই পতন চাহিদা কমার কারণে নয়, বরং সরবরাহ বিঘ্নের ফল।বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তেল সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনটি সতর্ক করে বলেছে, সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমদানি আবার বাড়তে পারে, ফলে বাণিজ্য ঘাটতিও বাড়বে। যদিও যুদ্ধবিরতির কারণে তেলের দাম কিছুটা কমেছে, তবে অবকাঠামো পুনর্গঠন ও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে, ফলে বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে। মার্চে রপ্তানি কিছুটা বাড়লেও বছরভিত্তিতে ৭.৩ শতাংশ কমেছে, যা বৈশ্বিক চাহিদা দুর্বল থাকার ইঙ্গিত দেয়। ২০২৭ অর্থবছরে এই দুর্বলতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শিল্প খাতে ব্যবহৃত পণ্যের আমদানি কমে যাওয়ায় উৎপাদন ধীর হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। তবে ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়লে আমদানি আবার বাড়তে পারে, কিন্

বৈশ্বিক সংকটে বাড়তে পারে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি

২০২৬ সালের মার্চ মাসে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি প্রত্যাশার চেয়ে কম হলেও ভবিষ্যতে তা আবার বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে ইয়েস সিকিউরিটিজ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়, যা প্রত্যাশার চেয়ে কম। এর প্রধান কারণ ছিল আমদানি কমে যাওয়া এবং রপ্তানিতে সাময়িক উন্নতি।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই পতন চাহিদা কমার কারণে নয়, বরং সরবরাহ বিঘ্নের ফল।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তেল সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদনটি সতর্ক করে বলেছে, সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমদানি আবার বাড়তে পারে, ফলে বাণিজ্য ঘাটতিও বাড়বে।

যদিও যুদ্ধবিরতির কারণে তেলের দাম কিছুটা কমেছে, তবে অবকাঠামো পুনর্গঠন ও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে, ফলে বাজারে অস্থিরতা থাকতে পারে।

মার্চে রপ্তানি কিছুটা বাড়লেও বছরভিত্তিতে ৭.৩ শতাংশ কমেছে, যা বৈশ্বিক চাহিদা দুর্বল থাকার ইঙ্গিত দেয়। ২০২৭ অর্থবছরে এই দুর্বলতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শিল্প খাতে ব্যবহৃত পণ্যের আমদানি কমে যাওয়ায় উৎপাদন ধীর হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। তবে ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়লে আমদানি আবার বাড়তে পারে, কিন্তু রপ্তানি সেই হারে না বাড়লে ঘাটতি আরও বাড়বে।

প্রতিবেদনটি আরও বলছে, উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স কমে যেতে পারে, যা ভারতের চলতি হিসাব ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow